Image description

গোপালগঞ্জে কুয়াশা ভেদ করে সূর্যের দেখা মিললেও কমেনি হাড়কাঁপানো শীতের দাপট। জেলার ওপর দিয়ে বয়ে চলা মৃদু শৈত্যপ্রবাহে থমকে গেছে স্বাভাবিক জনজীবন। কনকনে ঠান্ডায় একদিকে যেমন স্থবিরতা নেমে এসেছে কৃষিকাজে, অন্যদিকে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন নিম্নআয়ের খেটে খাওয়া মানুষ।

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকালে সরেজমিনে দেখা গেছে, তীব্র শীতের কারণে কৃষকরা মাঠে নামতে পারছেন না। জনশূন্য হয়ে পড়েছে অধিকাংশ সড়ক। একান্ত প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। ফলে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন রিকশা, ভ্যান ও ইজিবাইক চালকরা। রাস্তায় যাত্রীর উপস্থিতি কম থাকায় তাদের দৈনন্দিন আয় আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে।

গোপালগঞ্জ জেলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু সুফিয়ান জানান, আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৬টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ। মাঝারি কুয়াশার কারণে দৃষ্টিসীমা ৩০০ মিটারে নেমে এসেছে।

তিনি আরো বলেন, ‘বুধবারের তুলনায় তাপমাত্রা সামান্য বেড়েছে, তবে জেলার ওপর দিয়ে এখনও মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।’

উল্লেখ্য, বুধবার গোপালগঞ্জে তাপমাত্রা নেমে আসে ৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা সেদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল।