ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী মো. গিয়াস উদ্দিন তাহেরীর বার্ষিক আয়ের প্রধান উৎস ব্যবসা, কৃষি এবং ব্যাংক আমানতের সুদ। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা থেকে তাঁর স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের এই চিত্র পাওয়া গেছে।
হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, গিয়াস উদ্দিন তাহেরীর মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা (১ কোটি ৭৯ লাখ ৪৩ হাজার ৮৯২ টাকা)। তবে মজার বিষয় হলো, হলফনামায় তাঁর স্ত্রীর নামে কোনো সম্পদ বা অলংকারের তথ্য উল্লেখ করা হয়নি। তাঁর স্ত্রী পেশায় একজন গৃহিণী এবং তাঁর নগদ কোনো অর্থ বা গয়না নেই বলে হলফনামায় জানানো হয়েছে।
হলফনামায় তাহেরী নিজেকে একজন ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। ব্যবসা খাত থেকে তাঁর বছরে আয় হয় ৭ লাখ ৯১ হাজার টাকা। কৃষি খাত থেকে বছরে আয় দেখিয়েছেন ২৬ হাজার ৪০০ টাকা এবং ব্যাংক আমানতের সুদ থেকে পান ২২ হাজার ৮৯২ টাকা।
তাহেরীর অস্থাবর সম্পদের মোট মূল্য ১৯ লাখ ৪ হাজার ৮৯২ টাকা। এর মধ্যে তাঁর নিজের নামে নগদ অর্থ রয়েছে ৪১ হাজার ২৮৬ টাকা এবং ব্যাংকে জমা আছে ৭ লাখ ৬৩ হাজার ৬০৬ টাকা। তাঁর ব্যক্তিগত মালিকানায় ৩১ ভরি স্বর্ণ রয়েছে, যার মূল্য দেখানো হয়েছে ৬ লাখ টাকা। এছাড়া ৫ লাখ টাকা মূল্যের আসবাবপত্র রয়েছে তাঁর।
গিয়াস উদ্দিন তাহেরীর স্থাবর সম্পদের বড় অংশ জুড়ে রয়েছে কৃষিজমি। তাঁর হলফনামা অনুযায়ী, বর্তমানে ১ কোটি ৬০ লাখ ৩৯ হাজার টাকা মূল্যের কৃষিজমি রয়েছে তাঁর নামে।
হলফনামায় দেওয়া তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, তাহেরীর সমুদয় সম্পদই তাঁর নিজ নামে। স্ত্রী বা নির্ভরশীলদের নামে কোনো স্থাবর বা অস্থাবর সম্পদের তথ্য তিনি উল্লেখ করেননি।
মানবকণ্ঠ/ডিআর




Comments