Image description

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়সহ সাধারণ ভোটারদের নিরাপত্তা ও আস্থা নিশ্চিত করতে নীলফামারীতে মাঠ পর্যায়ে ব্যাপক তৎপরতা শুরু করেছে পুলিশ প্রশাসন। ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ও কোনো প্রকার ভয়ভীতি ছাড়াই কেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে জেলার বিভিন্ন স্থানে সরাসরি ভোটারদের সাথে মতবিনিময় করেছেন রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি ড. আ. ক. ম. আকতারুজামান বসুনিয়া।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টা থেকে নীলফামারীর ঢেলাপীর এলাকা থেকে শুরু করে জেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ও জনবহুল এলাকায় তিনি এই জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এসময় তিনি সাধারণ ভোটার ও সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলেন এবং নির্বাচন ঘিরে তাদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন উদ্বেগের কথা শোনেন।

ডিআইজি ড. আ. ক. ম. আকতারুজামান বসুনিয়া বলেন, “নির্বাচন একটি জাতীয় উৎসব। সকল ধর্ম, বর্ণ ও শ্রেণির মানুষ যেন উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান দায়িত্ব। বিশেষ করে সনাতনী সম্প্রদায়সহ সকল নাগরিকের নিরাপত্তায় পুলিশ প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি বা সহিংসতা মোকাবিলায় আমরা সম্পূর্ণ প্রস্তুত।”

পুলিশের এই উদ্যোগে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় ভোটাররা। সদর উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের বড়ুয়া বাজারের ভোটার জিতেন্দ্র নাথ বলেন, “প্রশাসনের কর্মকর্তাদের এভাবে আমাদের পাশে পেয়ে আমরা অনেক উৎসাহিত। নির্বাচন নিয়ে মনের ভেতরে যে ভয় কাজ করছিল, পুলিশের আশ্বাসের পর এখন তা কেটে গেছে। আমরা নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি।”

নীলফামারী জেলা পুলিশ জানায়, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে জেলার ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো (সেন্টার) চিহ্নিত করা হয়েছে। সেসব এলাকায় টহল ও নজরদারি বাড়ানোসহ ভোটের দিন বিশেষ নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলার প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। যেকোনো অভিযোগ বা তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্ট্রাইকিং ফোর্স কাজ করছে।

সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে নীলফামারী জেলা জুড়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এমন তৎপরতা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

মানবকণ্ঠ/ডিআর