Image description

আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে কোনো ধরনের অনিয়ম, ‘ব্লেইম গেম’ বা নাটক করার সুযোগ নেই বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। 

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

জেলা প্রশাসক জানান, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম জেলাকে একটি নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা চাদরে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মাঠে কাজ করছেন ৪০ হাজারেরও বেশি সদস্য। পাশাপাশি ১১২ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবেন। নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রকে স্ট্রাইকিং ফোর্সের আওতায় আনা হয়েছে। 

তিনি বলেন, “কোনো কেন্দ্রে সমস্যা দেখা দিলে মাত্র ৫ মিনিটের মধ্যে সেখানে ফোর্স পৌঁছে যাবে—এমন কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।”

প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, “স্বচ্ছতা নিশ্চিতে প্রতিটি ভোটকেন্দ্র সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। আনসার বাহিনীর জন্য বিশেষ সুরক্ষা অ্যাপ এবং পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের জন্য ‘বডি অন ক্যামেরা’র ব্যবস্থা করা হয়েছে। ফলে দায় এড়ানো বা লুকানোর কোনো সুযোগ থাকবে না।”

নির্বাচনের প্রস্তুতির বিষয়ে তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে সব ধরনের প্রশাসনিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আজ থেকেই ভ্রাম্যমাণ আদালত ও মোবাইল টিমগুলো পুরো জেলায় টহল শুরু করেছে। প্রশাসনের লক্ষ্য কেবল ভোট গ্রহণ নয়, বরং ভোটারদের মধ্যে নিরাপত্তা ও আস্থার পরিবেশ তৈরি করা।

মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা ভোটারদের আশ্বস্ত করে বলেন, “ভোটাররা যেন উৎসবমুখর পরিবেশে কেন্দ্রে গিয়ে হাসিমুখে ভোট দিয়ে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারেন, আমরা সেই ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছি। কোনো কেন্দ্রকে ছোট করে দেখার সুযোগ নেই, সব কেন্দ্রকেই সমান গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আমরা একটি গ্রহণযোগ্য এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন নির্বাচন উপহার দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

মানবকণ্ঠ/ডিআর