Image description

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেছেন, “নির্বাচন সুষ্ঠু করতে হলে সবার আগে ভোটারের সঠিক পরিচয় নিশ্চিত করতে হবে। আমরা ধর্মীয় পোশাকের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, কিন্তু পোলিং বুথে যাতে কেউ বিশেষ পোশাকের সুযোগ নিয়ে পরিচয় গোপন করে জাল ভোট দিতে না পারে, সেদিকে নির্বাচন কমিশনকে কঠোর নজর দিতে হবে।”

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বাঞ্ছারামপুর পৌর এলাকার আমেনা প্লাজায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শঙ্কা প্রকাশ করে জোনায়েদ সাকি বলেন, “প্রশাসন যদি কোনো বিশেষ দলের পক্ষে প্রভাবিত হয়, তবে তারা অনেক অনিয়মই দেখেও না দেখার ভান করবে। আমরা ইতোমধ্যে জাল ভোট দেওয়ার পরিকল্পনা, কেন্দ্র দখল এবং কালো টাকা ছড়ানোর বিষয়ে প্রশাসনের কাছে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দিয়েছি। তারা ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন, তবে মাঠপর্যায়ে তার প্রতিফলন দেখতে চাই।”

তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে জনগণের ম্যান্ডেট ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা এ দেশের মানুষ মেনে নেবে না। কেউ যদি এমন অপচেষ্টা চালায়, তবে সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে তা প্রতিরোধ করা হবে।”

সংবাদ সম্মেলনে সাকি অভিযোগ করে বলেন, বিগত দুদিন ধরে ভোটারদের কেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। অনেক জায়গায় লাঠি তৈরি করে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। এমনকি দলীয় মনোভাবাপন্ন ব্যক্তিদের প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।

উপজেলা বিএনপির সভাপতি মেহেদি হাসান পলাশের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য এম এ খালেকসহ স্থানীয় বিএনপি ও গণসংহতি আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ।

মানবকণ্ঠ/ডিআর