Image description

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-০৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসনে পরাজয় মেনে নিয়ে বিজয়ী প্রার্থী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল (সিআইপি)। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) নিজের ফেসবুক পেজে এক আবেগঘন বার্তার মাধ্যমে তিনি এই অভিনন্দন জানান এবং কর্মী-সমর্থকদের শান্ত থাকার আহ্বান জানান।

হরিণ প্রতীকের এই স্বতন্ত্র প্রার্থী তাঁর পোস্টে লেখেন, “আমি এই ফলাফল মেনে নিয়েছি। হার-জিত থাকবেই, কিন্তু জীবন থেমে থাকবে না। যারা আমাকে ভোট দিয়েছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা, আর যারা দেননি তাদের গণতান্ত্রিক অধিকারকেও আমি সম্মান করি। আমি অতীতের মতোই সামর্থ্য অনুযায়ী মানবিক কাজগুলো চালিয়ে যাবো।”

বিজয়ীকে পরামর্শ দিয়ে তিনি আরও বলেন, “আশা করি ভিন্ন মতের কাউকেই অন্যায়ভাবে হয়রানি করা হবে না। প্রিয় আযম ভাই, আপনি এখন সখীপুর-বাসাইলের প্রত্যেকটি মানুষের এমপি, কোনো বিশেষ দলের নন। এলাকার উন্নয়নের জন্য আপনার প্রতি আমার দোয়া ও সার্বিক সহায়তা থাকবে।”

পোস্টের শেষে তিনি একটি বিশেষ উক্তি যোগ করে লেখেন, “সালাউদ্দিন আলমগীরের মতো প্রার্থী বারবার আসে না, আসলে ধরে রাখতে হয়। আশা করি আপনারা এর অন্তর্নিহিত তাৎপর্য বুঝবেন।”

নির্বাচনী ফলাফল অনুযায়ী, বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ১৩ হাজার ২১৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল হরিণ প্রতীকে পেয়েছেন ৭৬ হাজার ৪৬৮ ভোট। ৩৬ হাজার ৭৪৬ ভোটের ব্যবধানে আহমেদ আযম খান জয়ী হন। এছাড়া জামায়াতে ইসলামীর অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৫৩ হাজার ৬২১ ভোট পেয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন।

১৩১টি কেন্দ্রে দিনব্যাপী শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। পরাজিত প্রার্থীর এমন উদার ও সৌজন্যমূলক আচরণকে স্থানীয় সচেতন মহল ইতিবাচক রাজনৈতিক শিষ্টাচার হিসেবে দেখছেন।

মানবকণ্ঠ/ডিআর