Image description

ফরিদপুর শহরতলির বাখুন্ডা এলাকায় জামায়াত কর্মীদের বাড়িঘর ও দোকানে হামলা, ভাঙচুর ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতে তারাবির নামাজ শেষে বাখুন্ডা রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। এতে এক শিশুসহ অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন।

আহতদের মধ্যে জামায়াত কর্মী সজিবের শিশু সন্তান, ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি আলমগীর হোসেনের ভাই আজিজুল (গুরুতর আহত) এবং আলমগীর হোসেন নিজে রয়েছেন। আজিজুলকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা জানান, গেরদা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রাসেদ খান মিলনের নেতৃত্বে একদল লোক ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি আলমগীর হোসেন ও কর্মী সজিবের বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা বাড়িঘর ও দোকানপাট ভাঙচুর করে। এসময় জানালার কাচ ভেঙে সজিবের ঘুমন্ত সন্তানের ওপর পড়লে শিশুটি জখম হয়। এছাড়া আলমগীর হোসেনের ভাই আজিজুলকে ফসলের ক্ষেতে ফেলে পিটিয়ে মাথায় গুরুতর জখম করা হয়।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য রাসেদ খান মিলন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, "আমি সেখানে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেছি। জামায়াত কর্মীরা প্রথমে একজনের ওপর আক্রমণ করলে গণ্ডগোলের সূত্রপাত হয়।"

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মো. বদরউদ্দিনসহ শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। পরিদর্শনকালে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য প্রফেসর আবদুত তাওয়াব স্থানীয় নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য (বিএনপি) চৌধুরী নায়াব ইউসুফ আহমেদের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন। তিনি সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে বিএনপির নেতাকর্মীদের সহিংসতা থেকে বিরত রাখার অনুরোধ জানান। সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ এ ঘটনায় তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

ফরিদপুর কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মানবকণ্ঠ/ডিআর