গাজীপুর শিল্পাঞ্চলের অবশিষ্ট কারখানাগুলোতে বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুরের পর থেকে ঈদের ছুটি শুরু হচ্ছে। এর ফলে বিকেলে ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড় এবং তীব্র যানজটের আশঙ্কা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
শিল্প পুলিশ ও কারখানা সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুরে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ-ভুক্ত মোট ২ হাজার ৮৩৪টি কারখানার মধ্যে ২ হাজার ৭৫৩টিতেই ধাপে ধাপে ঈদের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে গত বুধবার (১৮ মার্চ) এক দিনেই রেকর্ড ১ হাজার ৪১৪টি কারখানা ছুটি হওয়ায় মহাসড়কে জনস্রোত নামে। আজ দুপুরের পর অবশিষ্ট ৮৩৩টি কারখানা ছুটি হলে ঘরমুখো মানুষের সেই চাপ আরও বাড়বে।
এর আগে বুধবার বিকেল থেকে গাজীপুরের চন্দ্রা ও কালিয়াকৈরে ১২-১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট দেখা দিয়েছিল। বৃষ্টির কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে রাতে কোনাবাড়ী থেকে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর পর্যন্ত প্রায় ২৫ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে স্থবির হয়ে পড়ে যানবাহন। এতে নাভিশ্বাস ওঠে ঈদে বাড়ি ফেরা সাধারণ মানুষের।
তবে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে মহাসড়কে যান চলাচল তুলনামূলক স্বাভাবিক দেখা গেছে। কোনাবাড়ী নাওজোর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সওগাতুল আলম জানান, রাত থেকেই পুলিশ যানজট নিরসনে কাজ করছে এবং গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বিকেলের বাড়তি চাপ সামলাতে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।
শ্রমিকরা জানান, বুধবার অধিকাংশ কারখানা ছুটি হওয়ায় তারা যানজটের ভয়ে যাত্রা শুরু করতে পারেননি। তবে আজ ছুটি পাওয়ার পরপরই তারা বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন, যা বিকেলের দিকে সড়কে বড় ধরনের জট সৃষ্টি করতে পারে।
মানবকণ্ঠ/ডিআর




Comments