চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে নিজ গর্ভধারিণী মাকে গলা কেটে হত্যার প্রায় ১০ মাস পর ঘাতক ছেলে ও পুত্রবধূকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। বুধবার (১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার লক্ষ্যারচর ইউনিয়ন থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— বাঁশখালী উপজেলার পূর্ব বৈলছড়ি এলাকার মো. কাশেম (২৮) ও তার স্ত্রী নারগিছ আক্তার (২৫)। নিহত রেহেনা বেগম (৬২) ঘাতক কাশেমের মা।
র্যাব-৭ সূত্রে জানা যায়, নিহত রেহেনা বেগম তার ছোট ছেলে কাশেম ও পুত্রবধূর সাথেই বসবাস করতেন। তার বড় ছেলে মো. বেলাল প্রবাসী। তিনি বিদেশ থেকে নিয়মিত মায়ের চিকিৎসা ও ওষুধের খরচ বাবদ কাশেমের স্ত্রীর মাধ্যমে টাকা পাঠাতেন। কিন্তু কাশেম সেই টাকা মায়ের চিকিৎসায় খরচ না করে নিজেই আত্মসাৎ করতেন। এ নিয়ে পরিবারে দীর্ঘদিনের কলহ চলছিল।
এই বিরোধের জেরে গত বছরের ৫ জুন রাতে কাশেম ও তার স্ত্রী নারগিছ মিলে রেহেনা বেগমকে নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যা করে পালিয়ে যান। ঘটনার পর নিহতের ভাই মো. মোক্তার আহমদ বাদী হয়ে বাঁশখালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ তদন্ত ও ছায়া তদন্তের পর র্যাবের একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চকরিয়া থেকে তাদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
র্যাব-৭–এর সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন জানান, গ্রেপ্তারকৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছেন। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাদের বাঁশখালী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মানবকণ্ঠ/ডিআর




Comments