Image description

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলায় ঈদের বকশিশ দেওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যুবককে হত্যার মামলায় কায়েমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে শাহজাদপুর চৌকি আদালতের বিচারক মো. মোসলেম উদ্দীনের খাস কামরায় তিনি ১৬৪ ধারায় এই জবানবন্দি দেন। জবানবন্দি গ্রহণ শেষে তাঁকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত শুক্রবার রাতে রংপুর শহর থেকে অভিযুক্ত সাইফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর তাঁকে আদালতে পাঠানো হলে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন।

গ্রেপ্তারকৃত সাইফুল ইসলাম উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং সুজাতৈল গ্রামের আদম ব্যাপারীর ছেলে। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গত ২৫ মার্চ তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

নিহত সোহেল রানা (২৫) উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের সুজাতৈল গ্রামের আজাদ মণ্ডলের ছেলে।

মামলার বিবরণ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২০ মার্চ শুক্রবার রাতে ঈদের বোনাস দেওয়ার কথা বলে সোহেল রানাকে তাঁর বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গলা কেটে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। পরদিন (ঈদের দিন) কায়েমপুর ইউনিয়নের চিনাধুকুরিয়া গ্রামের একটি ধানখেত থেকে সোহেলের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় নিহত সোহেলের মা রুবি আক্তার বাদী হয়ে সাইফুল ইসলামের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জনকে আসামি করে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় এর আগে রবিউল ইসলাম রবি নামে এক অটোরিকশা চালককে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, তিনিও আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

মানবকণ্ঠ/ডিআর