Image description

গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। টঙ্গীর মাজার বস্তিতে মাদক কারবারিদের আস্তানায় পাওয়া গেছে একটি বিলাসবহুল শীততাপনিয়ন্ত্রিত (এসি) কক্ষ। শুধু তাই নয়, অভিযানের সময় পালানোর জন্য ওই কক্ষে তৈরি করা হয়েছিল একটি গোপন সুড়ঙ্গপথ। পুলিশ বলছে, সমাজের অনেক প্রভাবশালী ও ‘নামিদামি’  এই গোপন আস্তানায় এসে মাদক সেবন করতেন।

সোমবার (৪ মে) টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশ এই অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। রবিবার রাতে পরিচালিত দীর্ঘ অভিযানে মাদক সেবন, কারবার এবং ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে ৩৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩১ জনকেই গ্রেফতার করা হয়েছে মাজার বস্তি এলাকা থেকে।

পুলিশ জানায়, ঘিঞ্জি বস্তির ভেতরে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত এসি রুমটি মাদক সেবিদের জন্য একটি নিরাপদ জোন হিসেবে ব্যবহৃত হতো। বিশেষ করে প্রভাবশালীরা যাতে জনচক্ষুর আড়ালে এখানে সময় কাটাতে পারেন, সেজন্যই এই ব্যবস্থা। অভিযানের সময় ওই কক্ষ থেকে মাদক সেবনের বিপুল আলামত জব্দ করা হয়েছে। কক্ষটির ভেতরের গোপন সুড়ঙ্গপথটি দেখে খোদ পুলিশ কর্মকর্তারাও অবাক হয়েছেন।

টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, “মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৩১ জন মাদক কারবারি ও সেবীসহ মোট ৩৮ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এই আস্তানাগুলোতে কারা যাতায়াত করত, তাদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।”

অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া জিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. বেলায়েত হোসেন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “টঙ্গীকে মাদকমুক্ত না করা পর্যন্ত আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদক বিক্রি বা সেবনের সাথে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। এক্ষেত্রে অপরাধীর রাজনৈতিক বা সামাজিক কোনো পরিচয়ই

মানবকণ্ঠ/আরআই