ধর্ষণে শিশু অন্তঃসত্ত্বা
গণমাধ্যমে তথ্য দেওয়ায় নারী চিকিৎসককে হত্যা ও গণধর্ষণের হুমকি
নেত্রকোনার মদনে ধর্ষণের শিকার এক মাদরাসাছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় গণমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ায় ডা. সায়মা আক্তার নামে এক নারী চিকিৎসককে হত্যা ও গণধর্ষণের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভোগা ওই চিকিৎসক বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকেলে মদন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
ভুক্তভোগী ডা. সায়মা আক্তার উপজেলার একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের গাইনি বিশেষজ্ঞ।
জিডি সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ এপ্রিল এক কিশোরী শারীরিক সমস্যা নিয়ে তার কাছে এলে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানা যায় সে ২৭ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা। পরে ওই কিশোরী ও তার মায়ের কাছ থেকে ডা. সায়মা জানতে পারেন, মাদরাসার এক শিক্ষক তাকে ধর্ষণ করেছেন। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ভুক্তভোগীর শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি পেশাগত দায়িত্ব হিসেবে প্রয়োজনীয় তথ্য দেন।
এরপর থেকেই বিভিন্ন ভুয়া ফেসবুক আইডি ও হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর থেকে ডা. সায়মাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ হত্যা ও গণধর্ষণের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এই ঘটনায় তিনি ও তার পরিবার চরম প্রাণনাশের শঙ্কায় রয়েছেন।
মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, "একজন নারী চিকিৎসক জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে থানায় জিডি করেছেন। বিষয়টি আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি এবং তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ শুরু করেছি।"
এদিকে, ওই মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরকে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার নেত্রকোনার অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোসসিনা ইসলাম এ আদেশ দেন। আগামী ১০ মে রিমান্ড শেষে তাকে পুনরায় আদালতে হাজির করার কথা রয়েছে।
মানবকণ্ঠ/ডিআর




Comments