Image description

গাজীপুর মহানগরীর পূবাইল থানা এলাকায় মাদকের বিস্তার রোধে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। গত ৬ দিনের ধারাবাহিক অভিযানে এক নারী মাদক কারবারিসহ মোট ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশের এই তৎপরতায় মাদক সিন্ডিকেটগুলোর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পূবাইল এলাকায় সম্প্রতি ইয়াবা ও গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্যের উপদ্রব আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ তৈরি হয়। বিশেষ করে উঠতি বয়সের তরুণ ও শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে এই বিষ ছড়ানো হচ্ছিল। জননিরাপত্তার স্বার্থে পূবাইল থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ যৌথভাবে বিশেষ অভিযান শুরু করে।

সর্বশেষ মঙ্গলবার (১২ মে) রাতে পূবাইলের হায়দরাবাদ কেজি স্কুল সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে হাসান ভান্ডারি (৪৫) নামে এক চিহ্নিত কারবারির বসতবাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। এসময় ছদ্মবেশে থাকার চেষ্টা করেও শেষ রক্ষা হয়নি হাসানের। তার হেফাজত থেকে ১৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে গ্রেফতার করে বুধবার (১৩ মে) আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

এর আগে গত শনিবার মহানগর ডিবির অভিযানে মাজুখান এলাকা থেকে ১০০ পিস ইয়াবাসহ মোঃ মানিক মিয়া (৩৬) নামে আরেক কারবারিকে আটক করা হয়। গত এক সপ্তাহে এভাবেই ৫ জন কারবারিকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।

অভিযানের বিষয়ে পূবাইল থানার এসআই রুহুল আমিন মানবকণ্ঠকে বলেন, ‘মাদক নির্মূলে আমাদের অভিযান চলমান। কোনো অপরাধীকেই ছাড় দেওয়া হবে না। সমাজকে মাদকমুক্ত করতে আমরা নিয়মিত কাজ করছি।’

পূবাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আতিকুর রহমান বলেন, ‘পূবাইল থানা এলাকায় মাদক ও অপরাধের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান জিরো টলারেন্স। বিশেষ করে যুব সমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে পুলিশের এই অভিযান আরও জোরালো করা হবে।’

এদিকে মাদকবিরোধী পুলিশের এই সক্রিয় ভূমিকাকে স্বাগত জানিয়েছেন এলাকার সচেতন সমাজ। তবে তারা কেবল খুচরা কারবারি নয়, মাদকের মূল হোতা বা সরবরাহকারীদের গ্রেফতার করার দাবিও জানিয়েছেন।

মানবকণ্ঠ/আরআই