Image description

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেতে যাচ্ছেন জেলা বিএনপির বর্তমান যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক অনিমেষ চাকমা (রিংকু)। দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে রাজনীতির মাঠে সক্রিয় রিংকু এর আগেও জেলা পরিষদের সদস্য হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান খাগড়াছড়ি সফরকালে অনিমেষ চাকমাকে জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছেন। এরপর থেকেই জেলাজুড়ে রাজনৈতিক মহলে তাঁকে নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

অনিমেষ চাকমা খাগড়াছড়ি সদরের পানখাইয়া পাড়ার বাসিন্দা। তাঁর পিতা অরুণ চন্দ্র চাকমা এবং মাতা বনমালা চাকমা। ১৯৯৯ সালে চট্টগ্রামের রাউজানস্থ গহিরা ডিগ্রি কলেজ থেকে বিএ পাস করার পর ২০০১ সালে তিনি সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে যুক্ত হন। তিনি ২০০২ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া পানছড়ি উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক ও জেলা বিএনপির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালনের পর ২০১৯ সাল থেকে বর্তমানে জেলা বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

রাজনীতির পাশাপাশি তিনি একজন সফল উদ্যোক্তা ও সমাজসেবী। তিনি মৈত্রী এগ্রো ফার্মের স্বত্বাধিকারী, খাগড়াছড়ি ফলদ বাগান মালিক সমবায় সমিতির প্রতিষ্ঠাতা এবং থানা চন্দ্রপাড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির আজীবন সদস্য।

রাজনৈতিক জীবনে তিনি বিভিন্ন সময়ে ৮টি মামলার মুখোমুখি হলেও সবকটি থেকেই সসম্মানে খালাস পেয়েছেন। ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর ঢাকার পল্টনের মহাসমাবেশ এবং ২৯ জুলাই মাতুয়াইলে সড়ক অবরোধসহ দলের প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা ও সাহসিকতা দলের অভ্যন্তরে তাঁকে নির্ভরযোগ্য নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেতে যাচ্ছেন জেলা বিএনপির বর্তমান যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক অনিমেষ চাকমা (রিংকু)। দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে রাজনীতির মাঠে সক্রিয় রিংকু এর আগেও জেলা পরিষদের সদস্য হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।