শস্যভাণ্ডার খ্যাত বগুড়ার শিবগঞ্জের মাঠগুলোতে সরিষার ফুলে দুলছে কৃষকের রঙিন স্বপ্ন। সরিষা ফুলে ভরে গেছে ফসলের মাঠ। চারিদিকে তাকালে যেন সবুজের মাঝে হলুদের সমাহার। কখনো কখনো সরিষা ক্ষেতে বসছে বুলবুলি, ফিঙে আর শালিকের ঝাঁক।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর উপজেলায় ১ হাজার হেক্টর জমিতে সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যেই লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী আবাদ সম্পন্ন হয়েছে। তবে সবচেয়ে বেশি সরিষা আবাদ করা হয়েছে উপজেলা মাঝিহট্ট, বুড়িগঞ্জ ও পিরব ইউনিয়নের মাঠে।
কৃষকরা জানান, কম সময় ও স্বল্প খরচে লাভ বেশি হওয়ায় সরিষা চাষে আগ্রহী হচ্ছেন তারা। আমন ধান কাটার পর এবং বোরো আবাদের আগে মধ্যবর্তী সময়ে জমি ফেলে না রেখে সরিষা চাষ করছেন কৃষকরা। এতে লাভের পাশাপাশি দেশে ভোজ্যতেলের ঘাটতি পূরণ হবে বলে কৃষকরা মনে করছেন।
সরিষা ক্ষেতে মৌমাছি ও প্রজাপতির আনাগোনা বেশি হলে সহজে পরাগায়ন হয়। এর ফলে ফলন অনেকটা ভালো হয়। আর ফলন ভালো হলে প্রতি বিঘা জমিতে ৬ থেকে ৭ মণ সরিষা পাওয়া যায়।
শিবগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল হান্নান মানবকণ্ঠকে জানান, ভোজ্যতেলের ওপর আমদানিনির্ভরতা কমাতে আমরা কৃষকদের সরিষা চাষে উদ্বুদ্ধ করছি এবং কৃষি বিভাগ থেকে উন্নত বীজ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া ঘন কুয়াশায় সাধারণ একটু সমস্যা হয়, সে ব্যাপারে মাঠপর্যায়ে গিয়ে কৃষকদের করণীয় সম্পর্কে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।




Comments