যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার বিরুদ্ধে পূর্ব এশিয়ার ‘স্থিতিশীলতা ধ্বংস করার’ অভিযোগ করেছেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের বোন কিম ইয়ো জং। দেশ দুটি কোরীয় উপদ্বীপে তাদের ১০ দিনের বার্ষিক যৌথ সামরিক মহড়া শুরু করার পর তিনি এই অভিযোগ করেন।
উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্র পরিচালিত কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সির (কেসিএনএ) তথ্যানুসারে, কিম ইয়ো জং মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বলেছেন, ‘আমাদের রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব এবং নিরাপত্তা ক্ষেত্রগুলোর কাছে শত্রুপক্ষের শক্তি বৃদ্ধি অকল্পনীয়ভাবে ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে।’
তিনি আরও বলেন, ‘শত্রুদের কখনোই আমাদের ধৈর্য, ইচ্ছাশক্তি ও সক্ষমতাকে পরীক্ষা করার চেষ্টা করা উচিত নয়। শত্রুরা আমাদের রাষ্ট্রের নিরাপত্তা কতটা লঙ্ঘন করছে এবং তারা কী উদ্দেশ্যে এসব করছে– আমরা তা পর্যবেক্ষণ করব।’
সোমবার (৯ মার্চ) শুরু হওয়া যৌথ সামরিক মহড়া ফ্রিডম শিল্ড-এর পরপরই কিম এই মন্তব্য করলেন। ১০ দিনব্যাপী এই মহড়ায় দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ১৮ হাজার সেনা সদস্য অংশ নিচ্ছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের কোরিয়া-ভিত্তিক বাহিনী জানিয়েছে, এই সামরিক মহড়ার উদ্দেশ্য হলো ‘সমন্বিত ও যৌথ সবক্ষেত্রের অপারেশনাল পরিবেশ উন্নত করা এবং জোটের প্রতিক্রিয়া সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করা।’
দক্ষিণ কোরিয়ার ইয়োনহাপ নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, এ বছরের ফ্রিডম শিল্ড মহড়ায় ২২টি ফিল্ড ট্রেনিং ড্রিল অন্তর্ভুক্ত থাকবে, যা গত বছরের তুলনায় অর্ধেকেরও কম।
মঙ্গলবার কিম ইয়ো জং বলেন, এই মহড়া আয়োজনের কোনো যৌক্তিকতা নেই। অতীতে ওয়াশিংটন ও সিউল এই মহড়াকে ‘প্রতিরক্ষামূলক’ বলে উল্লেখ করলেও তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন।




Comments