ইরানের সাথে চলমান যুদ্ধের প্রথম সপ্তাহেই ইরানি প্রতিশোধমূলক অভিযানে মার্কিন সামরিক বাহিনীর অন্তত ২০০ মার্কিন সেনা নিহত এবং ৩ হাজারেরও বেশি আহত হয়েছে।
ইরানের উচ্চপদস্থ গোয়েন্দা কর্মকর্তার সূত্রের বরাত দিয়ে প্রেস টিভি এ তথ্য জানিয়েছে।
ওই কর্মকর্তা জানান, যুক্তরাষ্ট্র ১৫০টি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ প্ল্যাটফর্ম এবং ২৩টি প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হারিয়েছে। এছাড়া মোট ৩৭টি বিমান ও হেলিকপ্টারও ধ্বংস হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র মজুদের ৪৩ শতাংশ নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হয়েছে।
ইসলামী বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়েদ আলী খামেনেই এবং কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় সামরিক কমান্ডারকে এক কাপুরুষোচিত আগ্রাসনে হত্যা করার মধ্য দিয়ে ২৮শে ফেব্রুয়ারি ইসলামী প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু হয়েছিল।
একই দিন মার্কিন-ইসরায়েলি যুদ্ধ জোটের ইচ্ছাকৃত হামলায় দক্ষিণ ইরানের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ১৭০ জন স্কুলছাত্রও শহীদ হয়।
এর প্রতিশোধ হিসেবে, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী এ পর্যন্ত ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪’-এর ৫৮টি পর্যায় চালিয়েছে, যার আওতায় অধিকৃত অঞ্চলে অবস্থিত ইসরায়েলি সামরিক স্থাপনা এবং অঞ্চলজুড়ে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ব্যাপক হামলা চালানো হয়েছে।
ইরানি হামলায় সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিয়ে মার্কিন ও ইসরায়েলি কর্মকর্তারা নীরব থাকলেও, স্বাধীন গণমাধ্যম ও বিশ্লেষকদের অনুমান অনুযায়ী এই ধ্বংসযজ্ঞের পরিমাণ কয়েক হাজার কোটি ডলার।
বিশেষ করে, তারা ইরানের নিখুঁত ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মার্কিন-ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও রাডারগুলোর প্রায় সম্পূর্ণ ধ্বংসের বিষয়টি তুলে ধরেছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে যে, তেল আবিব সরকার যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আরও সামরিক সহায়তা চেয়ে আসছে এবং অন্যদিকে ওয়াশিংটন তার আঞ্চলিক মিত্রদের কাছে সাহায্যের জন্য অনুনয় করছে।




Comments