Image description

সম্ভাব্য ইসরাইলি পালটা হামলার আশঙ্কায় দেশের পশ্চিমাঞ্চলীয় আকাশসীমা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেছে ইরান। দেশটির আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় একই পদক্ষেপ নিয়েছে ইরাক ও সিরিয়াও।

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) সতর্ক করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলা অব্যাহত থাকলে আরও বড় পরিসরে পালটা জবাব দেওয়া হবে। সংগঠনটির দাবি, যুদ্ধবিরতি সমঝোতার শর্ত ভঙ্গ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল বিভিন্ন ফ্রন্টে সামরিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।

আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, রোববার রাতের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ছিল ‘সতর্কবার্তা’। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, ভবিষ্যতে কোনো আগ্রাসন হলে তার জবাব হবে আরও কঠোর ও ব্যাপক।

অন্যদিকে, ইরানের সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাবে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইসরাইল। দেশটির দুটি সূত্র মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে জানিয়েছে, তেহরানের এ হামলার জবাব হবে ‘শক্তিশালী ও তাৎপর্যপূর্ণ’।

ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর দাবি, ইরান তিন দফায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করলেও তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সবগুলো প্রতিহত করেছে। এতে কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

এদিকে আইআরজিসি দাবি করেছে, তারা উত্তর ইসরাইলের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা রামাত ডেভিড বিমানঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ লেবানন ও বৈরুতে ইসরাইলি সামরিক অভিযানের অন্যতম কেন্দ্র হওয়ায় ঘাঁটিটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

পাল্টাপাল্টি হুমকি ও হামলার ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে সংঘাত আরও বিস্তৃত হতে পারে।