যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হওয়ায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি, অর্থনীতি ও নিরাপত্তা সংকট বাড়ছে। পালটাপালটি হামলার পাশাপাশি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে আরও হামলার হুমকি দিয়েছেন। ইরানও প্রতিটি হামলার জবাব দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
যুদ্ধের প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১০০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছেছে। হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এতে পরিবহণ ব্যয় ও মূল্যস্ফীতি বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশগুলো যুদ্ধের বড় ধরনের প্রভাবের মুখে পড়তে পারে। মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থান ও রেমিট্যান্স কমে গেলে দেশে বেকারত্ব ও বৈদেশিক মুদ্রার সংকট বাড়তে পারে। একই সঙ্গে জ্বালানি ব্যয় বৃদ্ধি মূল্যস্ফীতির ওপর চাপ তৈরি করবে।
বিশ্ব অর্থনীতিতেও এর প্রভাব পড়ছে। যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমিয়েছে ওইসিডি। বিশ্লেষকদের মতে, সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে অর্থনৈতিক সংকটের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে আঞ্চলিক সংঘাত ও বৈশ্বিক মেরুকরণ আরও বাড়তে পারে।
এসএস




Comments