Image description

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের ঢাকা সফরকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।

সফরের প্রভাব নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তৌহিদ হোসেন বলেন, "সদ্য প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ঢাকা সফর একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। তবে এই সফরের ফলে দুই দেশের বিদ্যমান সম্পর্কের টানাপোড়েন কতটা কমবে, তা কেবল সময়ই বলে দেবে।"

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, "বেগম খালেদা জিয়া শুধু বাংলাদেশে নন, বরং পুরো দক্ষিণ এশিয়াতেই একজন গ্রহণযোগ্য ও সম্মানিত নেত্রী ছিলেন। তাঁর এই আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতার কারণেই ভারত ও পাকিস্তানসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা তাঁর শেষ বিদায়ে সম্মান জানাতে ঢাকায় এসেছেন।"

উল্লেখ্য, গত ৩০ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার) ভোরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮০ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন বেগম খালেদা জিয়া। দেশের এই জনপ্রিয় নেত্রীকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) ঢাকায় আসেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। একই দিনে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিকসহ মোট ছয়টি দেশের প্রতিনিধি দল ঢাকায় এসে মরহুমার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

বুধবার বিকেল ৩টায় রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে এক বিশাল জানাজা শেষে বিকেল পৌনে ৫টায় শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁকে সমাহিত করা হয়।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এই সফরকে মূলত একটি সৌজন্যমূলক সফর হিসেবে দেখার আহ্বান জানান এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্ক বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

মানবকন্ঠ/আরআই