প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, প্রতিশোধের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে এসে দেশের কল্যাণে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, “আমার সঙ্গে যা হয়েছে, তার প্রতিশোধ নিলেও তা ফিরে পাব না। তাই প্রতিহিংসা নয়, দেশের জন্য কী করা যায় সেদিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত।”
মঙ্গলবার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিএনপি বিটের সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে এবং গঠনমূলক সমালোচনাকে স্বাগত জানায়। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ১৯৭৫ সালের ১৬ জুন দেশের অধিকাংশ সংবাদপত্র বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, যা আজও “সংবাদপত্রের কালো দিবস” হিসেবে স্মরণ করা হয়।
সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সরকারের ভুল-ত্রুটি তুলে ধরতে গণমাধ্যমের সহযোগিতা প্রয়োজন। “আপনাদের সহযোগিতা ছাড়া আমি বুঝতে পারব না কোন কাজ ভালো হচ্ছে, আর কোনটি সংশোধন করা দরকার,” বলেন তিনি।
তরুণ সমাজের প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মাদককে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, শুধু আইন প্রয়োগ বা চিকিৎসা দিয়ে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়; তরুণদের খেলাধুলা, সংস্কৃতি, বিতর্ক ও বিজ্ঞানচর্চার মতো ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করতে হবে।
তিনি জানান, সরকার ইতোমধ্যে “নতুন কুঁড়ি” ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা চালু করেছে, যেখানে সারা দেশের প্রায় ২২ লাখ শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছে। পাশাপাশি জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে বিজ্ঞান মেলা এবং সারা বছর সাংস্কৃতিক কার্যক্রম চালুর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
নৈতিক মূল্যবোধের অবক্ষয় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্কুল পর্যায় থেকেই সামাজিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধের চর্চা বাড়াতে হবে। এ বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরিতে তথ্য মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।




Comments