Image description

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফাঁসির আসামি হওয়ায় তিনি দেশে পা রাখা মাত্রই তাকে গ্রেপ্তার করা হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি সরকারের এই কঠোর অবস্থানের কথা জানান।

আইনমন্ত্রী বলেন, “শেখ হাসিনা বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে অবশ্যই দেশে আসতে পারেন। তবে যেহেতু তিনি ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি, তাই দেশে প্রবেশের পর তাকে প্রচলিত আইন অনুযায়ী গ্রেপ্তার করা হবে এবং যথাযথ বিচার প্রক্রিয়ার মুখোমুখি করা হবে।”

তিনি আরও জানান, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রত্যার্পণ চুক্তির আওতায় তাকে ভারত থেকে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে ‘হিউম্যান রাইটস ওয়াচ’-এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, সরকার তাদের কোনো মতামত বা সমালোচনা অগ্রাহ্য করছে না। প্রতিবেদনে যেসব অভিযোগ তোলা হয়েছে, সেগুলো গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হবে।

মামলার জট নিরসন নিয়ে আসাদুজ্জামান বলেন, বর্তমানে প্রায় ৪৫ হাজার মামলা ঝুলে আছে, যা দ্রুত নিষ্পত্তি করা শুধু সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। এজন্য ব্র্যাক ও ব্লাস্টের মতো বেসরকারি আইনি সংস্থাকে বিচার প্রক্রিয়ায় যুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে আজ জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা এবং ব্র্যাকের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। মামলার দীর্ঘসূত্রতা কমাতে মালয়েশিয়ার বিচারিক মডেলের সহায়তা নেওয়া হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, “আগামী সেপ্টেম্বরের সংসদ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে কোনো সাংবিধানিক বাধা নেই। তবে সরকার যদি জরুরি মনে করে, তবে আগস্টেই বিশেষ অধিবেশন ডেকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করতে পারে।”

মানবকণ্ঠ/ডিআর