Image description

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, দ্বীন কায়েমের আন্দোলনে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করতে হবে। এই ত্যাগ স্বীকার করা মুমিনের জন্য নামাজ, রোজা, হজ ও জাকাতের মতোই ফরজ। আল্লাহর বিধান দ্বীন কায়েমের আন্দোলনে নিজের জীবন উৎসর্গ করতেও জামায়াতে ইসলামীর সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা প্রস্তুত রয়েছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের মতিঝিল-শাহজাহানপুর জোন আয়োজিত ‘রুকন শিক্ষাশিবিরে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অধ্যাপক গোলাম পরওয়ার বলেন, “জামায়াতে ইসলামীতে দলীয় লেজুড়বৃত্তির কোনো সুযোগ নেই। আমরা একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই এই আন্দোলনে শামিল হওয়ার দাওয়াত দেই। রুকন শব্দটি সাধারণ কোনো শব্দ নয়; যারা আল্লাহর সাথে শপথবদ্ধ, তারাই রুকন।”

তিনি আরও বলেন, “নির্বাচন কমিশন নিবন্ধনের সময় ‘রুকন’ শব্দ বাদ দিয়ে ‘সদস্য’ লেখার প্রস্তাব করেছিল। তারা রুকন ও সদস্যের মধ্যকার পার্থক্য বোঝেনি। পরবর্তীতে আইনি বাধ্যবাধকতায় সদস্য শব্দটি যুক্ত করা হলেও রুকনদের সম্মান বজায় রাখতে ব্র্যাকেটে শব্দটি বহাল রাখা হয়েছে। একজন রুকন আল্লাহর কাছে দায়বদ্ধ, তাই সেই মর্যাদা রক্ষায় নিজেদের অটুট থাকতে হবে।”

কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি এবং জোন পরিচালক মুহাম্মদ শামছুর রহমানের সভাপতিত্বে শিক্ষাশিবিরে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মা’ছুম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি এবং কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ দেলাওয়ার হোসাইন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে দারসুল কুরআন পেশ করেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ড. আব্দুস সামাদ। মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা শরিফুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট জোনের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মানবকণ্ঠ/ডিআর