Image description

সোমালিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী আহমেদ মোয়ালিম ফিকি অভিযোগ করেছেন, গাজার ফিলিস্তিনিদের সোমালিল্যান্ডে উৎখাতের পরিকল্পনা করছে ইসরায়েল। এ বিষয়ে সোমালিয়ার কাছে ‘নিশ্চিত তথ্য’ আছে। এটি বাস্তবায়িত হলে আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন হবে। 

আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শনিবার এসব কথা বলেন ফিকি। ইসরায়েলের এই পরিকল্পনার বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আশঙ্কা করা হচ্ছিল। তবে তেল আবিব তা বারবার অস্বীকার করেছে। 

১৯৯১ সালে সোমালিয়া থেকে স্বাধীন হওয়ার ঘোষণা দেয় সোমালিল্যান্ড। তারা এখনো জাতিসংঘের স্বীকৃতি পায়নি। গত ডিসেম্বরে প্রথম দেশ হিসেবে তাদের স্বীকৃতি দেয় ইসরায়েল। গত সপ্তাহে ইসরায়েলের চ্যানেল ফোরটিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিওন সার বলেন, সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতির সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক স্থানান্তরের সম্পর্ক নেই। 

সোমালিল্যান্ডের কর্তৃপক্ষও বিষয়টি অস্বীকার করেছে। সম্প্রতি, সোমালিয়ার প্রেসিডেন্ট হাসান শেখ মোহামুদ আলজাজিরাকে বলেছিলেন, সোমালিল্যান্ড ইসরায়েলের তিনটি শর্ত মেনে নিয়েছে। সেগুলো হলো- ফিলিস্তিনিদের পুনর্বাসন, এডেন উপসাগরের উপকূলে একটি সামরিক ঘাঁটি স্থাপন এবং ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে আব্রাহাম চুক্তিতে যোগ দেওয়া।

আহমেদ মোয়ালিম ফিকি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে সোমালিল্যান্ডের কূটনৈতিক স্বীকৃতি প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন। অঞ্চলটি সোমালিয়ার একটি অংশ। ফলে তাদের স্বীকৃতি দেওয়াটা সোমালিয়ার সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত হিসেবেও বর্ণনা করেছেন ফিকি।

সোমালিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ইসরায়েলের দীর্ঘদিন ধরে দেশগুলোকে বিভক্ত করার লক্ষ্যে পরিকল্পনা করছে। তারা মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র ভাগ করে দেশগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। এ কারণেই তারা উত্তর-পশ্চিম সোমালিয়ায় বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীটিকে (সোমালিল্যান্ড) খুঁজে নিয়েছে।