নীলফামারী-০২ (সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন বলেছেন, “দেশকে উন্নয়নের সিঁড়িতে নিতে হলে শিক্ষাকে যুগোপযোগী করতে হবে। কেবল অবকাঠামো নয়, শিক্ষকদের মানোন্নয়ন ও সুযোগ-সুবিধা বাড়িয়ে পুরো সিস্টেমে পরিবর্তন আনতে হবে। একজন শিক্ষকের সন্তান হিসেবে শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়নে আমার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা রয়েছে।”
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে নীলফামারী শহরের স্টাফ কোয়ার্টার সংলগ্ন নীলসাগর গ্রুপের পরিবহন বিভাগে সদর উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষক নেতাদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। নীলফামারীর সামগ্রিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ‘উন্নয়ন মঞ্চ’-এর ব্যানারে ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই সভার আয়োজন করা হয়।
ছমির উদ্দিন স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ মেসবাহুল হকের সভাপতিত্বে সভায় মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন শিল্প উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান নীলসাগর গ্রুপের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আহসান হাবীব লেলিন।
তিনি বলেন, “বর্তমান বিশ্ব মেধা ও প্রযুক্তির। এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা)-এর এই যুগে টিকে থাকতে হলে দক্ষ জনশক্তি গড়ার বিকল্প নেই। আর এই দক্ষ জাতি গড়ার মূল কারিগর হলেন শিক্ষকরা। তাই শিক্ষাকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করে শিক্ষকদের যথাযথ মর্যাদা দিতে হবে।”
সভায় আরও বক্তব্য দেন পলাশবাড়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক উত্তম কুমার বাদল, টুপামারী ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ আব্দুল ওহাব, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ চৌধুরী এবং অধ্যক্ষ আব্দুল আজিজ।
শিক্ষক নেতা আবু সাঈদ চৌধুরী বলেন, “শিক্ষার মানোন্নয়নে যোগ্য নেতৃত্ব এবং কার্যকর ব্যবস্থাপনা কমিটি প্রয়োজন। নীলফামারীর উন্নয়ন ও পরিবর্তনের কাণ্ডারি হিসেবে আমরা প্রকৌশলী তুহিনকে পেয়েছি। তাকে সংসদে পাঠাতে পারলে এলাকার আমূল পরিবর্তন সম্ভব।”
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন আরও বলেন, “নীলফামারীবাসীর জীবনমান উন্নয়ন এবং এই জেলাকে আধুনিক ও সমৃদ্ধ হিসেবে গড়ে তোলাই আমার লক্ষ্য। শিক্ষকদের সম্মান ও অধিকার নিশ্চিত করে একটি মেধাভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে আমি কাজ করে যাব।”
উল্লেখ্য, নীলফামারী সদর উপজেলার বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কয়েকশ শিক্ষক এই মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। গত কয়েকদিন ধরে প্রকৌশলী তুহিন ‘উন্নয়ন মঞ্চ’-এর ব্যানারে উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সাথে এই ধারাবাহিক মতবিনিময় করে আসছেন।
মানবকণ্ঠ/ডিআর




Comments