Image description

সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার খান মোঃ রেজা-উন নবী বলেছেন, “অন্যায়-অবিচার যারা দেখেও সমর্থন করে, প্রতিবাদ না করে সহযোগী ও দর্শকের ভূমিকা পালন করে, তারা মূলত কবরস্থানের মানুষ। তাদের কবরস্থানেই জায়গা করে দেওয়া উচিত; এই সমাজে তাদের কোনো মূল্য নেই।”

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে সিলেটের বিশ্বনাথ সরকারি ডিগ্রি কলেজ হলরুমে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আয়োজিত প্রিজাইডিং, সহকারী প্রিজাইডিং ও পোলিং কর্মকর্তাদের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিভাগীয় কমিশনার আরও বলেন, “অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান ও নিরাপত্তার মতো ভোট প্রদানও নাগরিকের একটি সাংবিধানিক অধিকার। দীর্ঘদিন মানুষকে এই ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করে রাখা হয়েছিল। যারা অন্যের আত্মসম্মান, বাক-স্বাধীনতা ও অধিকার হরণ করে, তারা বাটপার, সন্ত্রাসী ও রাষ্ট্রদ্রোহী। তারা সমাজের নিকৃষ্ট জীব।” তিনি নির্বাচনী কর্মকর্তাদের অত্যন্ত নিরপেক্ষতা ও সাহসিকতার সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ভোটকেন্দ্রে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকবে। নির্বাচনি কর্মকর্তাদের সাথে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সার্বিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা ত্বরান্বিত করার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসারদের নির্বাচন সংক্রান্ত আইন, ভোটগ্রহণ পদ্ধতি, ব্যালট ও উপকরণের ব্যবহার এবং ফলাফল প্রেরণসহ সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনার বিভিন্ন বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। কর্মশালা শেষে বিভাগীয় কমিশনার বিশ্বনাথ পৌর শহরের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেন।

বিশ্বনাথ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা উম্মে কুলসুম রুবির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন—সিলেটের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ আলা উদ্দিন, সহকারী নির্বাচন কর্মকর্তা মঞ্জুরুল আলম ও শফিকুল ইসলাম।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ওসমানীনগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মানছুরা আক্তার, বিশ্বনাথের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ লুৎফর রহমান, থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গাজী মোঃ মাহবুবুর রহমানসহ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা।

মানবকণ্ঠ/ডিআর