সুনসান গোপালগঞ্জের ভোটকেন্দ্রসমূহ, উপস্থিতি নেই ভোটারদের
আজ ১২ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ২০২৪ সালে জুলাই বিপ্লবে গণহত্যায় অভিযুক্ত রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়েই হচ্ছে নির্বাচন, ব্যালটে থাকছে না নৌকা প্রতীক। ফলে বিএনপি জোটের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে তাদেরই দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক মিত্র জামায়াতে ইসলামি বাংলাদেশ ও তাদের নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোট।
সারাদেশে যখন নির্বাচনের উৎসব চলছে তখন আওয়ামী লীগের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত গোপালগঞ্জে নির্বাচনের আমেজ নেই বললেই চলে। সকাল থেকে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, ভোটার উপস্থিতি নেই, অনেক কেন্দ্রে ধানের শীষ ছাড়া অন্য প্রার্থীর এজেন্টও নেই। অলস সময় সময় কাটাচ্ছে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
গোপালগঞ্জ ১, ২ ও ৩ –এই তিনটি আসনের মোটার ভোটার প্রায় ১০ লাখ। গোপালগঞ্জ-৩ আসনের মোট ভোটার প্রায় তিন লাখ। এই পুরো জেলাটিই মূলত আওয়ামী লীগ অধ্যুষিত অঞ্চল।
গোপালগঞ্জ-৩ আসন থেকেই শেখ হাসিনা নির্বাচন করতেন এবং আওয়ামী লীগ যতবারই নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন, ততবারই তারা এই আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছে। স্থানীয় কয়েকজনের সাথে কথা বললে তারা জানিয়েছেন, নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেই তাই ভোটারদের মাঝে কোন আগ্রহ নেই।
তাছাড়া আওয়ামী লীগ ভোট বর্জনের ডাক দেওয়ায় এর প্রভাব গোপালগঞ্জেই সবচেয়ে বেশি পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে সাধারণ ভোটারদের মাঝে ভোট নিয়ে আগ্রহ কম হলেও প্রার্থীদের এজেন্টরা আশা করছেন, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটার উপস্থিতি কিছুটা বাড়তে পারে। তারা আশা করছেন, ৫০ শতাংশ ভোটার উপস্থিতি হতে পারে।
টুঙ্গিপাড়াসহ জেলার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক উপস্থিতি ও টহল লক্ষ্য করা গেছে। নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসনের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।




Comments