Image description

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের দিন দেশের বিভিন্ন স্থানে অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে একজন বিএনপি নেতা, একজন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, একজন পোলিং কর্মকর্তা এবং বাকি সাধারণ ভোটাররা। কিছু মৃত্যুর ঘটনা কেন্দ্রের মধ্যে ঘটেছে, কেউ ভোট দিয়ে ফেরার পথে এবং কেউ কেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকালে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

খুলনা: খুলনা আলিয়া মাদ্রাসার কেন্দ্রে ভোট দিতে গিয়ে বিএনপি নেতা মহিবুজ্জামান কচি (৬০) মারা গেছেন। বিএনপি অভিযোগ করেছে, কেন্দ্রের ভিতরে ভোট চাওয়ার বিরোধিতা করলে জামায়াতের লোকজন তাঁকে ধাক্কা দেন। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলেও তিনি প্রাণ হারান।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া: সরাইল উপজেলার কাচারিপাড়া এলাকায় পোলিং কর্মকর্তা মো. মুজাহিদুল ইসলাম (৪৮) কর্মরত অবস্থায় অজ্ঞান হয়ে পড়েন এবং হাসপাতালে নেওয়ার পর মৃত ঘোষণা করা হয়।

সাতক্ষীরা: তালা উপজেলার মাছিহারা গ্রামে ভোট দিতে গিয়ে অনাথ ঘোষ (৬৫) অসুস্থ হয়ে মারা যান।

চট্টগ্রাম: বাটালি রোড কেন্দ্রে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় মো. মনু মিয়া (৫৭) অসুস্থ হয়ে মারা যান।

কিশোরগঞ্জ: ভৈরব উপজেলার আগানগর দক্ষিণপাড়া কেন্দ্রে ভোট দিয়ে বের হওয়ার পর তাড়া খেয়ে দৌড়ানোর সময় রাজ্জাক মিয়া (৫৫) মারা যান।

মানিকগঞ্জ: শিবালয় উপজেলার মহাদেবপুর কেন্দ্রে ভোট দিতে গিয়ে বাবু মিয়া (৭০) হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মারা যান।

গাইবান্ধা: সাঘাটা উপজেলার ওসমানেরপাড়া কেন্দ্রে ভোট দিয়ে ফেরার পথে বাছের চৌধুরী (৬০) মারা যান।

ঢাকা: যাত্রাবাড়ীর একটি কেন্দ্রে ভোট দিতে গিয়ে আবু সাঈদ সরকার (৫৩) অসুস্থ হয়ে মারা যান।

ময়মনসিংহ: হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া আসনের কেন্দ্রে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম (৪৮) দায়িত্ব পালনকালে অসুস্থ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।

প্রত্যক্ষদর্শী এবং পরিবারের সদস্যরা জানান, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মৃত্যুর কারণ হৃদরোগ বা অপ্রত্যাশিত অসুস্থতা। তবে খুলনা কেন্দ্রের ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক অভিযোগও উঠেছে।

মানবকণ্ঠ/আরআই