বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির জন্য অনুষ্ঠিত মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে লালমনিরহাটের শিবরাম আদর্শ পাবলিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক আঞ্জুমানারা লতা এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। একজন সফল শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি আইনজীবী হিসেবেও তালিকাভুক্ত হওয়া তাঁর মেধা, অধ্যবসায় ও বহুমুখী প্রতিভার প্রমাণ। শিক্ষা ও আইনের মতো দুই গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রেই তাঁর এই সাফল্য কঠোর পরিশ্রম ও যোগ্যতার স্বীকৃতি।
লালমনিরহাটের শিবরাম আদর্শ পাবলিক স্কুলে ২০২৩ সাল থেকে প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা আঞ্জুমানারা লতা স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক রাশেদুল ইসলাম রাশেদ এর স্ত্রী। বাংলাদেশ বার কাউন্সিল সূত্রে জানা গেছে, লতা এখন বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত Bangladesh Supreme Court-এর হাইকোর্ট বিভাগের অধীন যেকোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা রাজস্ব কর্তৃপক্ষের অধীনে আইন পেশা পরিচালনার যোগ্যতা অর্জন করেছেন।
এই সাফল্যে অনুভূতি জানিয়ে আঞ্জুমানারা লতা বলেন, “আমি দীর্ঘদিনের পড়াশোনা ও কঠোর পরিশ্রমের পর এই সাফল্য অর্জন করতে পেরে গর্বিত। এটি আমার পেশাগত জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। আমি আশা করি সমাজ ও শিক্ষাক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন আরও নিষ্ঠার সঙ্গে করতে পারব।”
শিবরাম আদর্শ পাবলিক স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক রাশেদুল ইসলাম রাশেদ বলেন, “লতার এই সাফল্য আমাদের বিদ্যালয়ের জন্য গর্বের বিষয়। তার নিষ্ঠা ও অধ্যবসায় শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।”
শিবরাম আদর্শ পাবলিক স্কুলের সভাপতি আমিনুর ইসলাম বলেন, “লতার এই সাফল্য শুধু তার ব্যক্তিগত গৌরব নয়, আমাদের স্কুলের শিক্ষাক্ষেত্রের মান ও সুনামের প্রতিফলন। আমরা তার ভবিষ্যৎ আইনি কার্যক্রমে সফলতা কামনা করি।”
উল্লেখ্য, গত ১৫ নভেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর ২০২৫ এবং ১৩ মার্চ থেকে ১৪ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত বার কাউন্সিল ভবনে অনুষ্ঠিত এ ভাইভা পরীক্ষায় নির্ধারিত রোল নম্বরধারীদের মধ্যেই লতা উত্তীর্ণ হয়েছেন।




Comments