Image description

বরগুনার বেতাগীতে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের আনুষ্ঠানিকতায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহ. সাদ্দাম হোসেন'র বক্তব্যকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে ক্ষোভ, অসন্তোষ ও তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

বৃহস্পপতিবার (২৬ মার্চ) সকালে বেতাগী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সরকারিভাবে  উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত উপজেলা পর্যায়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের সমাবেশ, কুচ কাওয়াজ ও ডিসপ্লে অনুষ্ঠানে সরকারের পক্ষ থেকে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি "বাংলাদেশ চিরজীবী হোক" বলে বক্তব্য শেষ করলে উপস্থিত বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।

জানা গেছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এই শ্লোগানটি রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রচলিত ছিল, তবে বর্তমানে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিএনপি ও সমমনা দলগুলো "বাংলাদেশ জিন্দাবাদ" শ্লোগানটি ব্যবহার করে আসছে। স্বাধীনতা দিবসের মতো সংবেদনশীল দিনে প্রশাসনের দায়িত্বশীল কর্মকর্তার মুখে এমন শ্লোগান শুনে অনুষ্ঠানে আগত অতিথিদের মধ্যে অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ে এবং একপর্যায়ে স্থানীয় বিএনপির সাধারণ নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। 

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে স্থানীয় বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপ করেন এবং বিক্ষুব্ধদের শান্ত করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

স্থানীয় বিএনপির একাধিক নেতা-কর্মী অভিযোগ করেন, দলীয় সিনিয়র নেতাদের হস্তক্ষেপে বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটলেও প্রশাসনের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠির ধারণ করা এমন বক্তব্যে আমরা ব্যাথিত হয়েছি। যা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

এ বক্তব্যের ব্যাখ্যা জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহ. সাদ্দাম হোসেনের বলেন, এর কোন ব্যাখা নেই। জয়বাংলা বললেও সমস্যা, জিন্দাবাদ বললেও সমস্য তাই আমি নিজে লিখেই ওই বক্তব্য দিয়েছি। তবে কম সময়ের কারণে বক্তব্যে ভুল ত্রুটি থাকতে পারে। এটা অনাকাঙ্খিত।