Image description

জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকারের দেওয়া সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দোকানপাট ও শপিংমল বন্ধের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি। এর পরিবর্তে সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত বিপণিবিতানগুলো চালু রাখার সুযোগ চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছে সংগঠনটি।

শুক্রবার সমিতির এক জরুরি ভার্চুয়াল সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। পরে সংগঠনের সভাপতি মো. নাজমুল হাসান মাহমুদ এবং সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুর রহমান টিপুর সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশের প্রায় ৭০ লাখ ক্ষুদ্র ও মাঝারি দোকান মালিক এবং এর সঙ্গে জড়িত আড়াই কোটি কর্মচারীর জীবনজীবিকার বিষয়টি বিবেচনা করেই এই সময়সূচি পুনর্বিবেচনার আবেদন করা হয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকারের নতুন সিদ্ধান্তের কথা জানান। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, সরকারি ও বেসরকারি অফিস সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এবং ব্যাংকিং কার্যক্রম সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত চলবে। পাশাপাশি, কাঁচাবাজার, ওষুধের দোকান, রেস্তোরাঁ এবং জরুরি সেবা ব্যতীত দেশের সব মার্কেট ও শপিংমল সন্ধ্যা ৬টার পর বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। তাই দেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির ওপর চাপ কমাতেই এই কৃচ্ছ্রসাধনের পথ বেছে নেওয়া হয়েছে।

তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, এর আগে মালিক সমিতির পক্ষ থেকে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে রাত ৮টার মধ্যে সারা দেশের সব দোকানপাট বন্ধ রাখার বিষয়ে সম্মতি জানানো হয়েছিল। কিন্তু হঠাৎ করে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে সবকিছু বন্ধ করার সরকারি নির্দেশনা জারি হওয়ায় ব্যবসায়ী মহলে আপত্তি ও হতাশার সৃষ্টি হয়েছে।

মানবকণ্ঠ/আরআই