ডিমলায় নবম শ্রেণির ছাত্রীকে ৫ ঘণ্টা আটকে রেখে গণধর্ষণ, থানায় মামলা
নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় নবম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে (১৫) পাঁচ ঘণ্টা আটকে রেখে গণধর্ষণের বর্বরোচিত ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় সোমবার (৬ এপ্রিল) দুই যুবককে আসামি করে ডিমলা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
অভিযুক্তরা হলেন—উপজেলার খালিশা চাপানী ইউনিয়নের তালতলা সরকারপাড়া গ্রামের রবিউল ইসলাম শুকারুর ছেলে কাজল রানা (২১) এবং বরকত আলীর ছেলে মুন্না ইসলাম মান্নান (২৪)।
মামলার এজাহার ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ভিকটিম ওই কিশোরী দীর্ঘদিন ধরে তার নানার বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করে আসছিল। ঘটনার দিন গত রোববার (৫ এপ্রিল) সকালে তার নানি ও মা চিকিৎসার জন্য রংপুরে যান। বাড়িতে তখন ভিকটিম ও তার ১৩ বছর বয়সী ছোট বোন একা ছিল। দুপুর ২টার দিকে অভিযুক্ত দুই যুবক ওই কিশোরীকে ফুসলিয়ে পার্শ্ববর্তী একটি ভুট্টা ক্ষেতে নিয়ে যায়। সেখানে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত তাকে আটকে রেখে পালাক্রমে ধর্ষণ করে তারা।
সন্ধ্যা পর্যন্ত মেয়েটি বাড়িতে না ফেরায় স্বজনরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে ভুট্টা ক্ষেত থেকে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। গভীর রাতে নানি বাড়িতে ফিরে ঘটনাটি জানতে পেরে নাতনিকে নিয়ে ডিমলা থানায় হাজির হন। সোমবার সকালে তিনি বাদী হয়ে অভিযুক্ত দুই যুবকের বিরুদ্ধে গণধর্ষণের মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-৫)।
ডিমলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শওকত আলী সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ভিকটিমের জবানবন্দি গ্রহণ ও ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। অভিযুক্তরা বর্তমানে পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।
মানবকণ্ঠ/ডিআর




Comments