কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ছাত্রদল ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১৫ জন শিবির কর্মী আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ৫ জন শিক্ষার্থীর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টার দিকে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ক্যাম্পাসে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ছাত্রশিবিরকে ‘গুপ্ত’ বলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে তা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়। অভিযোগ উঠেছে, ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা লাঠিসোঁটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে শিবির কর্মীদের ওপর হামলা চালায়।
সংঘর্ষে আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মাথায় ও শরীরে গুরুতর আঘাত থাকায় কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ঘটনার পর থেকে পুরো ক্যাম্পাস এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে আহতদের দেখতে হাসপাতালে ছুটে যান সাবেক ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্র সংসদ নেতা মুজিবুর রহমান ভুঁইয়া, জামায়াতে ইসলামীর মহানগর আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদ, ছাত্রশিবির মহানগর সেক্রেটারি নাজমুল হাসান পঞ্চায়েত এবং মহানগর যুব বিভাগের সভাপতি নজির আহমেদ। তারা আহতদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন এবং এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি করেন।
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে ক্যাম্পাসে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মানবকণ্ঠ/ডিআর




Comments