Image description

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে তার প্রশাসনের চলমান সামরিক অভিযানের বিরোধীদের তীব্র সমালোচনা করে তাদের “রাষ্ট্রদ্রোহী” বলে আখ্যা দিয়েছেন। _গালফ নিউজ

শুক্রবার ফ্লোরিডায় এক সমাবেশে ভাষণ দিতে গিয়ে ট্রাম্প সমালোচকদের, বিশেষ করে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির, যারা এই যুদ্ধের কার্যকারিতা ও গতিপথ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তাদের দেশপ্রেম নিয়ে প্রশ্ন তুলে ট্রাম্প বলেন, এ ধরনের নেতিবাচক প্রচারণা যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের পরিপন্থী। এই যুদ্ধে ওয়াশিংটন সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে এবং জয়ী হচ্ছে।

তার দাবি, ইরানের সামরিক সক্ষমতা মারাত্মকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং দাবি করেন যে দেশটির এখন আর কোনো কার্যকর নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী বা শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নেই। ট্রাম্প আরও ইঙ্গিত দেন যে এই সংঘাত চলাকালে ইরানের নেতৃত্ব উল্লেখযোগ্যভাবে বিপর্যস্ত হয়েছে।

রাষ্ট্রপতি এই সামরিক অভিযানকে ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজনীয় বলে সমর্থন করেছেন এবং সতর্ক করে বলেছেন যে, পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হলে তা ইসরায়েল, বৃহত্তর মধ্যপ্রাচ্য এমনকি ইউরোপের জন্যও গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করতে পারত। তিনি তেহরানের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা রুখে দেওয়ার কৃতিত্ব দেন উন্নত বোমারু বিমানের ব্যবহারসহ মার্কিন অভিযানগুলোকে।

একই সাথে, ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে উদ্দেশ্যগুলো পুরোপুরি অর্জিত হওয়ার আগে অভিযানের খুঁটিনাটি আলোচনা করার ব্যাপারে তিনি সতর্ক থাকছেন। তিনি বর্তমান অভিযানটিকে পূর্ববর্তী মার্কিন সামরিক অভিযানগুলোর সাথে তুলনা করেছেন, যেগুলোকে তিনি অত্যন্ত সফল বলে বর্ণনা করেছেন।

কঠোর বক্তব্য দেওয়া সত্ত্বেও ট্রাম্প স্বীকার করেছেন যে ইরানের সঙ্গে আলোচনা আশানুরূপ এগোয়নি। তিনি বলেন, বর্তমান প্রস্তাবগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র সন্তুষ্ট নয় এবং জোর দিয়ে বলেন যে ওয়াশিংটন অকালে এই সংঘাত শেষ করতে তাড়াহুড়ো করবে না।

ট্রাম্প স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, যদিও তিনি একটি স্থায়ী সমাধান পছন্দ করেন, তবুও যুক্তরাষ্ট্র তার ভাষায় ‘সঠিক ফলাফল’ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এই পন্থা অব্যাহত রাখতে প্রস্তুত।

________
এআর/এমকে