রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে প্রেমের ফাঁদে ফেলে সপ্তম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে (১৩) তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নাফিস মন্ডল (১৯) নামে এক যুবককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা। তবে ঘটনার মূল হোতা কথিত প্রেমিক রায়হান শেখ (২০) পালিয়ে গেছে।
রোববার (১০ মে) বিকেলে ওই ছাত্রীর মা বাদী হয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।
আটক নাফিস মন্ডল গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া বিলডাঙ্গা এলাকার এলেম মন্ডলের ছেলে। পলাতক রায়হান ছোটভাকলা ইউনিয়নের হাউলি কেউটিল গ্রামের কদ্দুস শেখের ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, স্কুলে যাতায়াতের পথে রায়হানের সঙ্গে ওই ছাত্রীর পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গতকাল শনিবার (৯ মে) রাত সাড়ে ১০টার দিকে রায়হান ওই ছাত্রীর বাড়ির সামনে গিয়ে তাকে বাইরে আসতে বলে। মেয়েটি প্রথমে রাজি না হলেও রায়হানের জোরাজুরিতে ঘর থেকে বের হয়। এরপর রায়হান তাকে জোরপূর্বক মোটরসাইকেলে তুলে নগর রায়েরপাড়া এলাকার একটি পরিত্যক্ত এগ্রো ফার্মের পাশের নির্জন পুকুরপাড়ে নিয়ে যায়। সেখানে প্রথমে রায়হান এবং পরে তার বন্ধু নাফিস মেয়েটিকে ধর্ষণ করে।
ধর্ষণের পর আহত অবস্থায় মেয়েটিকে বাড়ির কাছাকাছি পৌঁছে দিতে এলে স্থানীয়রা তাদের সন্দেহ করে ধাওয়া দেয়। এসময় রায়হান পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও নাফিস মন্ডলকে ধরে ফেলে জনতা। সকালে তাকে থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, ফেসবুক ও মোবাইলের মাধ্যমে রায়হানের সঙ্গে মেয়েটির গত তিন মাস ধরে সম্পর্ক চলছিল। সেই সম্পর্কের সূত্র ধরে গত রাতে তাকে ডেকে নিয়ে নির্জন স্থানে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ একজনকে আটক করেছে। ভুক্তভোগী ছাত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষা ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
মানবকণ্ঠ/ডিআর




Comments