Image description

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ‘নৃত্যগীতি ও প্রবন্ধপাঠ’। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে চমৎকার এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ‘ইতিহাস ও ঐতিহ্য’।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, এমপি। সম্মানীয় অতিথি হিসেবে যোগ দেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের ডেপুটি হাই কমিশনার পাওয়ান বঢ়ে।

শিক্ষাবিদ অধ্যাপক নিরঞ্জন অধিকারীর সভাপতিত্বে আয়োজনে রবীন্দ্র ও নজরুলকে নিয়ে প্রবন্ধ পাঠ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. তারিক মনজুর এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক আহমেদ রেজা। ইতিহাস ও ঐতিহ্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও ইতিহাস গবেষক আশরাফুল ইসলাম অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এবং সমাপনীতে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সংগঠনের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন পাহাড়ী বীরপ্রতীক।

ভারতীয় হাই কমিশনের ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টারের সহযোগিতায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল মনোমুগ্ধকর নৃত্য পরিবেশনা। খ্যাতিমান নৃত্যগুরু শামীম আরা নীপা ও শিবলী মোহাম্মদের পরিচালনায় ‘নৃত্যাঞ্চল’-এর শিল্পীরা রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের ১৪টি জনপ্রিয় গানের সঙ্গে দলীয় নৃত্য পরিবেশন করে দর্শকদের মুগ্ধ করেন। পরে এই দুই গুণী নৃত্যশিল্পীকে উত্তরীয় পরিয়ে সম্মাননা জানান ভারতীয় হাই কমিশন ঢাকার প্রথম সচিব (রাজনীতি ও গণমাধ্যম) গোকুল ভি. কে।

অনুষ্ঠানের আরেকটি বিশেষ দিক ছিল শিশু-কিশোরদের আঁকা চিত্রকর্মের প্রদর্শনী। ঢাকা ও এর আশপাশের ১৩টি বিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থীর আঁকা রবীন্দ্র ও নজরুলের প্রতিকৃতি সেখানে স্থান পায়। আয়োজন শেষে অংশগ্রহণকারী এই ক্ষুদে শিল্পীদের হাতে স্বীকৃতি সনদ তুলে দেন জুরি বোর্ডের প্রধান ও গ্যালারি চিত্রক-এর প্রতিষ্ঠাতা শিল্পী মো. মনিরুজ্জামান, বীকন ফার্মাসিউটিক্যালসের ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম মাহমুদুল হক পল্লব এবং ইতিহাস ও ঐতিহ্য পরিষদের সহ-সভাপতি রবিউল ইসলাম মিল্টন।

সাংস্কৃতিক এই আয়োজনে সহযোগী হিসেবে ছিল তপোবন, নৃত্যাঞ্চল এবং বহুমাত্রিক.কম।

মানবকণ্ঠ/আরআই