Image description

রাজধানীতে সকাল থেকেই বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করলেও নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের ঢল থেমে নেই। পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রিয়জনদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতে বুধবার (২৭ মে) সকাল থেকেই কমলাপুর রেলস্টেশনে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গগামী ট্রেনগুলোতে যাত্রীদের চাপ ছিল সবচেয়ে বেশি।

সরেজমিনে দেখা যায়, স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম থেকে শুরু করে ট্রেনের ভেতর তিল ধারণের জায়গা নেই। অনেক যাত্রী অভিযোগ করেছেন, দীর্ঘ প্রচেষ্টায় টিকিট সংগ্রহ করার পরেও তারা কামরার ভেতর নির্ধারিত আসনে বসতে পারেননি; অন্যদের দখলে থাকায় তাদের দাঁড়িয়েই যাত্রা করতে হচ্ছে। এদিকে, ভেতরে জায়গা না পেয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শত শত যাত্রীকে ট্রেনের ছাদে চড়ে গন্তব্যে রওনা হতে দেখা গেছে।

রেলওয়ে সূত্র জানিয়েছে, আজ সকাল ১০টা পর্যন্ত মোট ১৮টি ট্রেন কমলাপুর থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে ছেড়ে গেছে। তবে শিডিউল বিপর্যয়ের কারণে ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা। বিশেষ করে নীলসাগর এক্সপ্রেস নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন ঘণ্টা বিলম্বে স্টেশন ত্যাগ করেছে।

রেলওয়ের মহাপরিচালক আফজাল হোসেন সংবাদমাধ্যমকে জানান, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে ট্রেনগুলোকে অত্যন্ত ধীরগতিতে ও সতর্কতার সাথে চালাতে হচ্ছে। এছাড়া যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিত করে স্টেশনে ট্রেন থামানো ও ছাড়ার ক্ষেত্রেও বাড়তি সময় লাগছে। ট্রেনের ছাদে চড়ে ভ্রমণের বিষয়ে তিনি বলেন, "আমরা এটি নিয়ন্ত্রণের আপ্রাণ চেষ্টা করছি। কিন্তু মানুষের অতিরিক্ত চাপ ও বিশৃঙ্খলার আশঙ্কায় অনেক সময় ছাদ থেকে যাত্রী নামানো সম্ভব হয় না।" দুপুরের পর যাত্রীদের এই চাপ কিছুটা কমতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

মানবকণ্ঠ/আরআই