বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে আজ মায়ামির হার্ডরক স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হচ্ছে ফুটবল পরাশক্তি ব্রাজিল ও স্কটল্যান্ড। নকআউট পর্বের আগে গ্রুপসেরা হওয়ার লক্ষ্যে মাঠে নামবে সেলেসাওরা। অন্যদিকে, স্কটল্যান্ডের সামনে সুযোগ রয়েছে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব টপকে ইতিহাস গড়ার।
বর্তমানে ‘সি’ গ্রুপের সমীকরণ বেশ নাটকীয়। দুই ম্যাচ শেষে মরক্কো ও ব্রাজিলের পয়েন্ট সমান ৪ করে হলেও গোল ব্যবধানে এগিয়ে থেকে শীর্ষে রয়েছে ব্রাজিল। ৩ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডের আশা বাঁচিয়ে রেখেছে স্কটল্যান্ডও। ফলে আজ হারলে বিদায় নিতে হতে পারে স্কটিশদের, আবার জিতলে তারা নিশ্চিত করবে নকআউট পর্ব।
পরিসংখ্যানে স্কটল্যান্ডের চেয়ে যোজন যোজন এগিয়ে ব্রাজিল। এখন পর্যন্ত দুই দল ১০ বার একে অপরের মুখোমুখি হয়েছে। যার মধ্যে ৮ বারই জয় পেয়েছে ব্রাজিল, বাকি দুটি ম্যাচ ড্র হয়েছে। স্কটল্যান্ডের ঝুলিতে এখনো ব্রাজিলের বিপক্ষে কোনো জয়ের রেকর্ড নেই।
বিশ্বকাপের মঞ্চেও ব্রাজিলের আধিপত্য স্পষ্ট। বিশ্বমঞ্চে এর আগে চারবার দেখা হয়েছে এই দুই দলের। ১৯৭৪ বিশ্বকাপে ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র হলেও পরের তিন আসরেই (১৯৮২, ১৯৯০ ও ১৯৯৮) জয়ের হাসি হেসেছে সেলেসাওরা।
পরিসংখ্যানে এগিয়ে থাকলেও ব্রাজিলের জন্য একটি ‘অশুভ’ সংকেত রয়েছে। ইতিহাস বলছে, যে চারবার ব্রাজিল ও স্কটল্যান্ড একই গ্রুপে পড়েছে, তার কোনোটিতেই শিরোপা জিততে পারেনি ব্রাজিল। ১৯৮২ সালে দুর্দান্ত দল নিয়েও মাঝপথে বিদায়, ১৯৯০ সালে ব্যর্থতা এবং ১৯৯৮ সালে ফাইনালে উঠেও স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল তাদের। হেক্সা জয়ের মিশনে নামা ব্রাজিল এবার সেই ইতিহাস বদলাতে পারে কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
দুই দলের লড়াইয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় যৌথভাবে শীর্ষে আছেন কিংবদন্তি জিকো ও বর্তমান তারকা নেইমার জুনিয়র। দুজনেরই গোল সংখ্যা ২টি করে। সবশেষ ২০১১ সালে লন্ডনের এমিরেটস স্টেডিয়ামে এক প্রীতি ম্যাচে নেইমারের জোড়া গোলেই ২-০ ব্যবধানে জিতেছিল ব্রাজিল। আজ মাঠে নামলে নেইমারের সামনে সুযোগ থাকবে জিকোকে ছাড়িয়ে এককভাবে শীর্ষে যাওয়ার।
একনজরে পরিসংখ্যান:
সর্বমোট মুখোমুখি: ১০ বার
ব্রাজিলের জয়: ০৮ বার
স্কটল্যান্ডের জয়: ০০
ড্র: ০২ বার
ব্রাজিলের গোল: ১৬
স্কটল্যান্ডের গোল: ০৩
মানবকণ্ঠ/ডিআর




Comments