Image description

চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত সরকারের বৈদেশিক ঋণ ৭৮ হাজার ২৩৩ মিলিয়ন তথা ৭৮ দশমিক ২৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। 

বুধবার সংসদের প্রশ্নোত্তরে জামালপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) মুস্তফিজুর রহমান বাবুলের প্রশ্নে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ তথ্য জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বৈঠকে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়। 

কুড়িগ্রাম-১ আসনের আনোয়ারুল ইসলামের প্রশ্নে অর্থমন্ত্রী বলেন, ব্যাংকিং খাতে অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে সৃষ্ট খেলাপি ঋণের টাকা অবৈধভাবে বিদেশে পাচারের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ৩০টি ব্যাংক তাদের ঋণের অর্থ উদ্ধারের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ৯টি আন্তর্জাতিক আইনি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নন-ডিসক্লোজার এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষর করে ‘নো উইন নো ফি’ শর্তে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করেছে। প্রথম পর্যায়ে সাইফুজ্জামান চৌধুরী, এস. আলম, বেক্সিমকো, সিকদার, নাসা ও ওরিয়ন গ্রুপ নিয়ে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পরবর্তীতে আরো সম্প্রসারিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

ময়মনসিংহ-৮ আসনের লুৎফুল্লাহেল মাজেদের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে রাজস্ব প্রদানকারী নিবন্ধিত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এক কোটি ৩৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৬। আগের অর্থ বছরের তুলনায় এই সংখ্যা ১১ দশমিক ৮৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

গাইবান্ধা-৪ আসনের মোহাম্মদ শামীম কায়সারের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফের আওতায় চলতি অর্থবছরে এক হাজার ৫৬৭ কোটি ৯৬ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এতে ১৪ লাখ ১৪ হাজার ৪৩১ জন কৃষক উপকৃত হয়েছেন।

সংরক্ষিত আসনের মোসাম্মৎ শাম্মী আক্তারের প্রশ্নের জবাবে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, যেসব ব্যাংক অর্থ সংকটে গ্রাহকদের টাকা ফেরত দিতে পারছে না, তাদের বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে জরুরি তারল্য সহায় দিচ্ছে। গত ১৫ জুন পর্যন্ত ৭৫ হাজার ৯০৩ কোটি ১১ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে।

সরকারি ও বিরোধী দলের কয়েকজন এমপি একীভূত পাঁচ ইসলামী ব্যাংক নিয়ে প্রশ্ন করেনে। জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমানত সুরক্ষা আইন, ২০২৬ অনুযায়ী ওই পাঁচ ব্যাংকের গ্রাহকদের সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা করে পরিশোধ করা হচ্ছে।