Image description

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণার পর ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমের কড়া সমালোচনা করেছেন বিএনপি নেতা মো. রাশেদ খাঁন। তিনি অভিযোগ করেছেন, সাদিক কায়েম লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে শহীদের রক্তের সাথে বেইমানি করেছেন এবং ডাকসুর ভিপি পদে থাকার নৈতিকতা হারিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে রাশেদ খাঁন এসব কথা বলেন।

রাশেদ খাঁন বলেন, জুলাই বিপ্লবের সময় ৯ দফার মধ্যে ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করার জন্য ছাত্রশিবির ব্যাপক চাপ দিয়েছিল। তবে সমন্বয়ক আব্দুল কাদের সেই প্রস্তাবে সম্মত হননি। পরবর্তীতে আলোচনার ভিত্তিতে ‘লেজুড়বৃত্তিক ছাত্র রাজনীতি’ নিষিদ্ধের দফাটি সংযুক্ত করা হয়। অথচ সেই শিবির এখন সবচেয়ে বড় লেজুড়বৃত্তিক ছাত্র সংগঠনে পরিণত হয়েছে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, জাতীয় নির্বাচনের সময় ডাকসুর বর্তমান ভিপিসহ অধিকাংশ নেতা ‘দাঁড়িপাল্লা’র পক্ষে কাজ করেছেন। এখন ডাকসুর ভিপি পদে আসীন থাকা অবস্থায় সাদিক কায়েম শিবির থেকে পদত্যাগ করে সরাসরি জামায়াতে যোগদান করেছেন এবং দলটির পক্ষ থেকে দক্ষিণের মেয়র প্রার্থী হয়েছেন। এটি শিক্ষার্থীদের সাথে স্পষ্ট প্রতারণা।

রাশেদ খাঁন বলেন, “জুলাইয়ের সময় এবং ছাত্র সংসদ নির্বাচনের আগে তারা লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করার ওয়াদা করেছিল। এখন সেই ওয়াদা ভঙ্গ করে তারা প্রকৃতপক্ষে শহীদের রক্তের সাথে বেইমানি করেছে। সাদিক কায়েম জামায়াতে যোগদান করার পর আর ডাকসু ভিপি থাকার নৈতিক অধিকার রাখেন না।”

বিবৃতিতে তিনি আরও যোগ করেন, শিক্ষার্থীদের সাথে এই প্রতারণার জন্য সাদিক কায়েমের অনতিবিলম্বে ক্ষমা চাওয়া উচিত এবং নৈতিক জায়গা থেকে ডাকসু ভিপি পদ থেকে পদত্যাগ করা উচিত।

মানবকণ্ঠ/ডিআর