Image description

দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় ইরান তুলনামূলকভাবে ভালো অবস্থানে থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন সিএনএনের সামরিক বিশ্লেষক ও অবসরপ্রাপ্ত মার্কিন বিমান বাহিনীর কর্নেল সেড্রিক লেইটন।

সোমবার (২৭ জুলাই) সিএনএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইরানের হাতে এখনো বিপুল পরিমাণ ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও রকেট মজুত রয়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন নির্ভুল নির্দেশিত অস্ত্র দ্রুত ব্যয় করছে, যেগুলোর মজুত পুনর্গঠনে কয়েক বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

লেইটন বলেন, ইরানের কাছে এখনো বিপুল সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও রকেট রয়েছে। তার ধারণা, কয়েক মাস ধরে যুক্তরাষ্ট্রের টানা হামলার পরও তেহরানের মূল অস্ত্রভাণ্ডারের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ এখনো অবশিষ্ট রয়েছে।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের কমান্ড ও কন্ট্রোল কেন্দ্র, বিভিন্ন অস্ত্রব্যবস্থা এবং সামরিক অবকাঠামোর উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়েছে। তবে এসব হামলা ইরানের পাল্টা আক্রমণ চালানোর সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস করতে পারেনি।

লেইটন আরও জানান, চলমান সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে প্রায় ১ হাজার ৪০০টি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ইন্টারসেপ্টর ব্যবহার করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই সংখ্যা সঠিক হলে, ভবিষ্যতে নতুন করে মজুত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত বিশ্বের অন্য অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়তে পারে বলেও তিনি সতর্ক করেন।

এদিকে সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ আরও বিস্তৃত হলে যুক্তরাষ্ট্রের গোলাবারুদের মজুত এবং সম্ভাব্য অন্যান্য নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বৈঠকে এসব বিষয় নিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সতর্ক করা হয় বলে সিএনএনের একাধিক সূত্র জানিয়েছে।
মানবকণ্ঠ/এমআর