Image description

প্রথম লেগে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় কারাবাও কাপের ফাইনালে এক পা দিয়েই রেখেছিল ম্যানচেস্টার সিটি। দ্বিতীয় লেগেও সেই আধিপত্য বজায় রাখল পেপ গার্দিওলার শিষ্যরা। নিউক্যাসল ইউনাইটেডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে দুই লেগ মিলিয়ে ৫-১ অগ্রগামিতায় ফাইনালে পৌঁছে গেছে সিটিজেনরা।

মঙ্গলবার রাতে ইতিহাদ স্টেডিয়ামে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন নিউক্যাসলের বিপক্ষে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল সিটি। প্রথমার্ধেই জোড়া গোল করে দলকে চালকের আসনে বসান ওমর মারমুশ। দলের হয়ে অন্য গোলটি করেন তিজানি রেইনডার্স। বিরতির পর নিউক্যাসলের হয়ে অ্যান্থনি এলাঙ্গা একটি গোল শোধ করলেও তা কেবল ব্যবধানই কমিয়েছে। এই জয়ের ফলে ২০২১ সালের পর প্রথমবারের মতো এই টুর্নামেন্টের ফাইনালে ফিরল ম্যানচেস্টার সিটি।

আগামী ২২ মার্চ ঐতিহাসিক ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে আর্সেনালের মুখোমুখি হবে সিটি। গত মঙ্গলবার চেলসিকে হারিয়ে আগেই ফাইনাল নিশ্চিত করে রেখেছে প্রিমিয়ার লিগের পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থাকা আর্সেনাল।

এই জয় গার্দিওলার জন্য বড় স্বস্তি হয়ে এসেছে। বিশেষ করে গত রোববার টটেনহ্যামের বিপক্ষে ২-০ গোলে এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত ২-২ ড্র করে শিরোপা লড়াইয়ে ধাক্কা খাওয়ার পর এই জয় দলের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে। লিগ টেবিলে আর্সেনালের চেয়ে ৬ পয়েন্ট পিছিয়ে থাকা সিটির সামনে এখন লিভারপুলের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ।

ইতিহাস বলছে, গার্দিওলার অধীনে ম্যানচেস্টার সিটির প্রথম শিরোপাই ছিল এই কারাবাও কাপ। ২০১৮ সালের সেই ফাইনালে তারা আর্সেনালকে হারিয়েছিল, যখন বর্তমান আর্সেনাল কোচ মিকেল আর্তেতা ছিলেন গার্দিওলার সহকারী। এরপর টানা তিন বছর ট্রফিটি জিতলেও ২০২১ সালের পর আর এই শিরোপা ছোঁয়া হয়নি সিটির।

লিভারপুলের বিপক্ষে আসন্ন বড় ম্যাচকে সামনে রেখে এদিন মূল একাদশে ছয়টি পরিবর্তন আনেন গার্দিওলা। আরলিং হলান্ড, রদ্রি ও রায়ান চেরকিকে রাখা হয়েছিল বেঞ্চে। তবে হলান্ডের বদলি হিসেবে মাঠে নেমে শুরুতেই নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দেন মারমুশ।

মানবকণ্ঠ/ডিআর