ইংল্যান্ডকে ১০০ রানে হারিয়ে রেকর্ড ষষ্ঠবারের মতো আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের শিরোপা জিতেছে ভারত। পুরো টুর্নামেন্টজুড়েই অপরাজিত থেকে শিরোপা নিশ্চিত করে তারা।
হারার স্পোর্টস ক্লাবে শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত ফাইনালে দেখা যায় রানের বন্যা। দুই দল মিলে করেছে ৭২২ রান! অবশ্য বেশ স্বস্তি নিয়েই শেষ হাসি হেসেছে ভারত। প্রথমে ব্যাট করে ৪১১ রানের পাহাড়সম সংগ্রহ গড়েন বৈভব সূর্যবংশীরা। জবাব দিতে নেমে ৪০.২ ওভারে ৩১১ রানে গুটিয়ে যায় ইংল্যান্ড।
ইংল্যান্ডের হয়ে ওপেনার বেন ডকিন্স ৫৬ বলে ৬৬ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন। যেখানে ছিল সাতটি চার ও দুটি ছক্কা। বেন মেইস ২৮ বলে করেন ৪৫ রান। তার ব্যাট থেকেও আসে সাতটি চার ও দুটি ছক্কা। অধিনায়ক থমাস রিউ ১৮ বলে ৩১ রানের ছোট কিন্তু কার্যকর ইনিংস খেলেন, যাতে ছিল চারটি চার ও একটি ছক্কা।
এরপর অষ্টম উইকেটে ক্যালেব ফ্যালকনার ও জেমস মিন্টো ৯২ রানের জুটি গড়ে ইংল্যান্ডকে কিছুটা লড়াইয়ে ফেরান। একপ্রান্ত আগলে রেখে লড়াই চালিয়ে যান ফ্যালকনার। শেষ পর্যন্ত তিনি ৬৭ বলে ১১৫ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন, যাতে ছিল নয়টি চার ও সাতটি ছক্কা। কানিশ্ক চৌহানের বলে তার আউট হওয়ার মধ্য দিয়ে ইংল্যান্ডের প্রতিরোধেরও অবসান ঘটে। তাতে ৩১১ রানেই থামে ইংলিশরা।
এর আগে ব্যাট করতে নেমে ভারত শুরুটা ভালো করতে পারেনি। ওপেনার অ্যারন জর্জ ১১ বলে ৯ রান করে আউট হন। এরপর সূর্যবংশী ও অধিনায়ক আয়ুষ মাহাত্রে জুটি বেঁধে ইংল্যান্ডের বোলারদের ওপর তাণ্ডব চালান। দুজন মিলে ১৪২ রানের জুটি গড়েন। মাহাত্রে ৫১ বলে ৫৩ রান করেন, যেখানে ছিল সাতটি চার ও দুটি ছক্কা। অ্যালেক্স গ্রিন এই জুটি ভাঙেন। অন্যদিকে সূর্যবংশী ছিলেন দুর্দান্ত ছন্দে। মাত্র ৫৫ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি। এরপর ৮০ বলে ১৭৫ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন, যেখানে ছিল ১৫টি চার ও ১৫টি ছক্কা। তার স্ট্রাইক রেট ছিল ২১৮.৭৫। এই সময় ২৫.৩ ওভারে ভারতের স্কোর দাঁড়ায় ৩ উইকেটে ২৫১।
এরপর ভেদান্ত ত্রিবেদি (৩২) ও বিহান মালহোত্রা (৩০) কিছুটা অবদান রাখলেও জেমস মিন্টোর বলে দুজনই আউট হন। অভিজ্ঞান কুন্দু ৩১ বলে ৪০ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন, যাতে ছিল ছয়টি চার ও একটি ছক্কা। পরে তিনি সেবাস্তিয়ান মরগানের শিকার হন। আরএস অম্বরিশ ২৪ বলে ১৮ রান করেন। তাতে ৪১১ রানের পাহাড়সম সংগ্রহ গড়ে ভারত।




Comments