রজত পাতিধরের বিধ্বংসী সেঞ্চুরি প্রায় ইনিংস এবং বোলারদের সম্মিলিত তোপে গুজরাট টাইটান্সকে ৯২ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (আরসিবি)। এই দাপুটে জয়ের মাধ্যমে টানা দ্বিতীয়বারের মতো আইপিএলের ফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করল বেঙ্গালুরু।
বুধবার টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৫ উইকেটে ২৫৪ রানের পাহাড়সম স্কোর গড়ে আরসিবি। ইনজুরির কারণে নিয়মিত ওপেনার ফিল সল্টকে না পেলেও বিরাট কোহলি ও ভেঙ্কটেশ আইয়ারের ব্যাটে শুরুটা ভালোই হয় তাদের। কোহলি ২৫ বলে ৪৩ এবং আইয়ার ৭ বলে ১৯ রান করেন। মাঝে জেসন হোল্ডার ও রশিদ খান আরসিবিকে কিছুটা চাপে ফেললেও সব হিসেব পাল্টে দেন রজত পাতিধর।
মাত্র ৩৩ বলে ৯৩ রানের এক অতিমানবীয় অপরাজিত ইনিংস খেলেন পাতিধর। তার এই ইনিংসটি সাজানো ছিল ৯টি ছক্কা ও ৪টি চারের মারে। পাতিধরের ঝড়ে শেষ ৬ ওভারেই ১১৪ রান তোলে বেঙ্গালুরু। এছাড়া ক্রুনাল পান্ডিয়া ৪৩ রান করে দলের বিশাল সংগ্রহে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
২৫৫ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই মহাবিপদে পড়ে গুজরাট। প্রথম ওভারেই কিউই পেসার জ্যাকব ডাফির বলে অদ্ভুতভাবে ‘হিট-উইকেট’ হয়ে সাজঘরে ফেরেন সাই সুদর্শন। এরপর ভুবনেশ্বর কুমারের বলে শুভমান গিল (৪) বোল্ড হলে গুজরাটের ইনিংসের মেরুদণ্ড ভেঙে যায়। জস বাটলার ১১ বলে ২৯ রান করে প্রাথমিক বিপর্যয় সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলেও জশ হ্যাজলউড তাকে দ্রুত ফিরিয়ে দেন। পাওয়ার-প্লে শেষ হওয়ার আগেই ৫ উইকেট হারিয়ে ধসে পড়ে টাইটান্সরা।
শেষদিকে রাহুল তেওয়াতিয়া একাই লড়াই চালিয়ে যান। তার ৫ ছক্কায় গড়া ৬৮ রানের ইনিংসটি কেবল গুজরাটের হারের ব্যবধানই কমিয়েছে। শেষ পর্যন্ত ১৬২ রানে অলআউট হয় গুজরাট টাইটান্স।
আরসিবির হয়ে বল হাতে উজ্জ্বল ছিলেন জ্যাকব ডাফি, তিনি শিকার করেন ৩টি উইকেট। এছাড়া ভুবনেশ্বর কুমার, রসিক সালাম দার ও ক্রুনাল পান্ডিয়া প্রত্যেকে ২টি করে উইকেট নেন। পাতিধরের এই রাজকীয় ইনিংস আর বোলারদের দাপটে সহজেই ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করল বেঙ্গালুরু।
মানবকণ্ঠ/আরআই




Comments