দুর্দান্ত ছন্দে থেকেই নরওয়েকে ৪-১ গোলে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হলো ফ্রান্স। আর এ ম্যাচের নায়ক ছিলে ফরাসি ও পিএসজি তারকা উসমান দেম্বেলে। মাত্র বত্রিশ মধ্যে হ্যাটট্রিক করে দলের জয়ে সবচেয়ে বড় অবদান রাখেন তিনি। একটি গোলে সহায়তা করেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। শেষদিকে দেজিরে দুয়ে চতুর্থ গোলটি করেন। নরওয়ের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন থেলোনিয়াস আসগার্ড।
তবে এ ম্যাচে বহুল প্রতীক্ষিত এমবাপ্পে-হালান্ড দ্বৈরথ অবশ্য দেখা যায়নি। নরওয়ের কোচ স্টালে সোলবাকেন গুরুত্বপূর্ণ নকআউট পর্বের কথা মাথায় রেখে একাধিক নিয়মিত খেলোয়াড়কে বিশ্রাম দেন। ফলে আর্লিং হালান্ড, মার্টিন ওডেগার্ড, আলেকজান্ডার শরলথ এবং প্রথম পছন্দের গোলরক্ষক ওর্জান হাস্কজোল্ড নিল্যান্ড—কেউই মাঠে নামেননি।
খেলা শুরুর এক মিনিট পার হবার আগেই এমবাপ্পের শক্তিশালী শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। এরপরও ফ্রান্স আক্রমণের ধার অব্যাহত রাখে। প্রথম গোলটি আসে দেম্বেলের পা থেকে ৭ মিনিটে। বক্সের প্রান্ত থেকে তার বাঁ পায়ের দুর্দান্ত শটে এগিয়ে যায় ফ্রান্স।
এরপর মাইকেল ওলিসে ও এমবাপ্পেও গোলের সুযোগ তৈরি করলেও নরওয়ের গোলরক্ষক সেলভিক দারুণ সেভ করেন। তবে ফ্রান্সের চাপ থামানো যায়নি। এমবাপ্পের বাড়ানো বল থেকে ২০ মিনিটে দেম্বেলে দ্বিতীয় গোলটি করে ব্যবধান বাড়ান।
এর এক মিনিট পরেই ২১ মিনিটে আসগার্ড গোল করে নরওয়েকে ম্যাচে ফেরানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু তাদের আনন্দ স্থায়ী হয়নি। ম্যাচের ৩২ মিনিটে প্রথম গোলের মতোই আরেকটি দারুণ শটে নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন দেম্বেলে এবং ফ্রান্সকে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।
দ্বিতীয়ার্ধে মাইক মিয়াঁন প্রথমার্ধের ভুল শুধরে নিয়ে ইয়ুর্গেন স্ত্রান্ড লার্সেনের নেওয়া পেনাল্টি রুখে দেন। তবে এ ম্যাচে এমবাপ্পে একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও গোলের দেখা পাননি। অন্যদিকে, দেম্বেলে ঘণ্টাখানেক খেলার পর মাঠ ছাড়েন, তার পরিবর্তে মাঠে নামেন রায়ান শেরকি।
ম্যাচে হালান্ডকে মাঠে নামানোর কোনো ঝুঁকিই নেননি নরওয়ের কোচ। তার মূল লক্ষ্য নকআউট পর্বের জন্য তারকা খেলোয়াড়দের সুস্থ রাখা। নকআউটে আইভরি কোস্টের মুখোমুখি হবে নরওয়ে।
ম্যাচের যোগ করা সময়ে দেজিরে দুয়ে ফ্রান্সের চতুর্থ গোলটি করেন ৯৩ মিনিটে। এতে করে ৪-১ গোলের জয়ে গ্রুপ সেরা হয়ে শেষ বত্রিসগে জায়গা নিশ্চিত করেছে ফ্রান্স।




Comments