Image description

২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশের লড়াইয়ে নাটকীয় এক ম্যাচে ডিআর কঙ্গোকে ২-১ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড। আটলান্টায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে একসময় পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে জয় তুলে নেয় ১৯৬৬ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। শেষ ষোলোতে তাদের প্রতিপক্ষ মেক্সিকো।

ম্যাচের শুরুতেই ইংল্যান্ডকে চমকে দেয় ডিআর কঙ্গো। সপ্তম মিনিটে ব্রায়ান সিপেঙ্গা ডি-বক্সের বাঁ দিক থেকে দারুণ এক ডান পায়ের শটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। এরপর কঙ্গো শক্ত রক্ষণ গড়ে তুলে ইংল্যান্ডের আক্রমণ বারবার ঠেকিয়ে দেয়।

প্রথমার্ধে একাধিক সুযোগ পেয়েও গোলের দেখা পায়নি ইংল্যান্ড। হ্যারি কেইনের একটি পেনাল্টির আবেদন ভিএআর পর্যালোচনার পর নাকচ করে দেন রেফারি। মার্কাস রাশফোর্ডের জোরালো শট গোললাইন থেকে ফিরিয়ে দেন অ্যারন ওয়ান-বিসাকা। শেষদিকে জুড বেলিংহামের প্রচেষ্টাও ব্যর্থ হলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় ডিআর কঙ্গো।

দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে ইংল্যান্ড। ৭৪ মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের নিখুঁত ক্রসে হেড করে সমতায় ফেরান হ্যারি কেইন।

ম্যাচ যখন অতিরিক্ত সময়ের দিকে এগোচ্ছিল, তখনই আসে ইংল্যান্ডের জয়সূচক গোল। নির্ধারিত সময়ের ৮৫ মিনিটে গর্ডনের পাস থেকে বল পেয়ে ডি-বক্সে ঢুকে ডান পায়ের নিখুঁত শটে জাল খুঁজে নেন কেইন। তার জোড়া গোলে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড।

বাকি সময়ে কঙ্গো সমতায় ফেরার সর্বোচ্চ চেষ্টা করলেও ইংল্যান্ডের রক্ষণ আর কোনো সুযোগ দেয়নি। শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই ২-১ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করে শেষ ষোলোয় জায়গা করে নেয় ইংল্যান্ড। অন্যদিকে দুর্দান্ত লড়াই করেও বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হয় ডিআর কঙ্গোকে।