বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে আর্জেন্টিনার খেলার ধরন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্পেনের ডিফেন্ডার এমেরিক লাপোর্তে। তার অভিযোগ, আর্জেন্টিনা প্রায়ই অতিরিক্ত শারীরিক ও আগ্রাসী ফুটবল খেলে প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলার চেষ্টা করে। তাই শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে শুরু থেকেই রেফারির কঠোর ও নিরপেক্ষ ভূমিকা প্রত্যাশা করছেন তিনি।
আগামী ২০ জুলাই নিউইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হবে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন স্পেন। বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় শুরু হবে বহুল প্রতীক্ষিত এই ফাইনাল।
ফাইনালের আগে সংবাদমাধ্যমে লাপোর্তে বলেন, ফুটবলের নিয়মের মধ্যে থাকা শারীরিক লড়াই নিয়ে তার কোনো আপত্তি নেই। তবে সীমা অতিক্রম করা হলে সেটি নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব রেফারির।
তার ভাষায়, “পরিস্থিতি যাতে নিয়ন্ত্রণের বাইরে না যায়, সেটি নিশ্চিত করা রেফারির কাজ। কয়েকজন খেলোয়াড়কে যদি বারবার একই ধরনের আচরণের সুযোগ দেওয়া হয়, তাহলে ম্যাচে বিশৃঙ্খলা তৈরি হতে পারে।”
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার শারীরিক ফুটবলের উদাহরণও তুলে ধরেন স্প্যানিশ এই ডিফেন্ডার। ওই ম্যাচে আর্জেন্টিনা ১৫টি ফাউল করে এবং তিনজন খেলোয়াড় হলুদ কার্ড দেখেন। অন্যদিকে ইংল্যান্ড ১১টি ফাউল করেছিল।
বিশেষ করে ম্যাচের তৃতীয় মিনিটে এনজো ফার্নান্দেসের একটি ট্যাকলের কথা উল্লেখ করে লাপোর্তে বলেন, ওই ঘটনায় কোনো কার্ড না দেখানো নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
তিনি আরও বলেন, “আর্জেন্টিনা এমন একটি দল, যারা প্রতিপক্ষের ওপর নিজেদের শারীরিক উপস্থিতির প্রভাব রাখতে চায়। কিন্তু বড় টুর্নামেন্টে এমন বিষয়গুলো কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন, কারণ এগুলো প্রতিপক্ষকে অস্থির ও উত্তেজিত করে তুলতে পারে।”
ফাইনালের আগে লাপোর্তের এই মন্তব্যে দুই দলের লড়াইয়ের উত্তেজনা আরও বেড়ে গেছে।




Comments