Image description

কথাটি অবিশ্বাস্য মনে হলেও বাস্তবে এমনই এক অনন্য কৃতিত্ব দেখিয়ে বিশ্বমঞ্চে লাল-সবুজের পতাকা উঁচুতে তুলে ধরেছে বাংলাদেশের দশ বছর বয়সি খুদে প্রতিভা আলইয়ান নুরাইয শায়র ।

বিশ্বের ১২টি দেশের সহস্রাধিক প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে মর্যাদাপূর্ণ ‘ইন্টারন্যাশনাল অ্যাবাকাস অলিম্পিয়াড’-এ একাধারে ‘চ্যাম্পিয়ন অব চ্যাম্পিয়নস’ এবং আসরের সর্বোচ্চ সম্মাননা ‘চ্যাম্পিয়ন’ খেতাব অর্জন করেছে এই বিস্ময় বালক।

যেভাবে এলো বিশ্বজয়
মানসিক গণিত (Mental Math), দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা এবং মস্তিষ্কের কার্যকারিতা যাচাইয়ের এই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিল ১২টি দেশের প্রায় ২ হাজার প্রতিযোগী। প্রথম রাউন্ড থেকেই নিজের মেধার দ্যুতি ছড়ায় শায়র। সেখানে শীর্ষস্থান অধিকার করে সে নির্বাচিত হয় ‘চ্যাম্পিয়ন অব চ্যাম্পিয়নস’।

এরপর ফাইনাল রাউন্ডের লড়াইয়ে তার অবিশ্বাস্য গতি দেখে অবাক হন আন্তর্জাতিক বিচারকরাও। নির্ধারিত মাত্র ৫ মিনিটে দেড়শ'র কাছাকাছি জটিল অঙ্কের নির্ভুল সমাধান করে সে তাক লাগিয়ে দেয়। বিচারকমণ্ডলী তার এই অসামান্য দক্ষতাকে স্বীকৃতি দিয়ে তাকে আসরের সর্বোচ্চ ক্যাটাগরি ‘চ্যাম্পিয়ন’ ঘোষণা করেন।

রাজধানীতে সংবর্ধনা ও বিশ্ব রেকর্ডের স্বীকৃতি

রাজধানীর একটি মিলনায়তনে এডুটিউন (EduTune)-এর উদ্যোগে শায়রের হাতে তুলে দেওয়া হয় আন্তর্জাতিক অর্জনের গোল্ডেন ক্রেস্ট, ট্রফি, মেডেল ও সনদপত্র। এছাড়া বিশ্ব রেকর্ড সৃষ্টির এই যাত্রায় তাকে বিশেষ সম্মাননা সনদ (Certificate of Appreciation) প্রদান করে ‘ইনফ্লুয়েন্সার বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস’।

কম্পিউটারের চেয়েও দ্রুতগতিতে মস্তিষ্কের হিসাবে নতুন ইতিহাস গড়া শায়রের এই সাফল্য এখন শুধু তার পরিবার বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নয়, বরং পুরো বাংলাদেশের জন্য এক অভাবনীয় অহংকার।

ডিআর