সৌদি আরবের রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ২ জন বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হয়েছেন। একই হামলায় গুরুতর আহত আরও অন্তত ৪ জন বাংলাদেশি নাগরিক হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।
রোববার (১১ অক্টোবর) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
প্রতিমন্ত্রী জানান, শনিবার (১০ অক্টোবর) রিয়াদ বিমানবন্দরে সংঘটিত এই অনাকাঙ্ক্ষিত হামলায় নিহত ২ বাংলাদেশির মরদেহ সম্পূর্ণ সরকারি খরচে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে। একই সঙ্গে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ৪ বাংলাদেশির চিকিৎসাসেবার সার্বিক তদারকি করছে রিয়াদের বাংলাদেশ মিশন।
এর আগে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রেরিত এক জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বেসামরিক নাগরিক ও স্থাপনাকে লক্ষ্য করে পরিচালিত এই পৈশাচিক হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতিদের এই হামলায় মোট ১২ জন নিহত ও তিন শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। হতাহতদের তথ্য সংগ্রহ ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে তাৎক্ষণিক সহায়তা প্রদানে সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করে বলা হয়, সাধারণ নিরীহ মানুষের জীবন বিপন্ন করা এবং বেসামরিক বিমানবন্দরে হামলা চালানো আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন ও সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। এ ধরনের উস্কানিমূলক ও ধ্বংসাত্মক আক্রমণ অবিলম্বে বন্ধের তাগিদ দেওয়া হয়।
একই সঙ্গে এই কঠিন সময়ে সৌদি আরবের সরকার ও সেদেশের ভাইবোনের প্রতি বাংলাদেশের দৃঢ় ও অবিচল সংহতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। আঞ্চলিক শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে অবিলম্বে সকল প্রকার সামরিক সংঘাত বন্ধ করে কূটনৈতিক আলোচনা ও রাজনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।
ডিআর




Comments