নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার চারঘুড়ি চাপানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও ৪ জন সহকারী শিক্ষিকার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও আপত্তিকর আচরণের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে জেলা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন স্থানীয়রা।
অভিযোগের প্রেক্ষিতে অনুসন্ধানে জানা যায়, বিদ্যালয়ের পরিবেশ ও শিক্ষার্থীদের মর্যাদাহানিকর একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, এক সহকারী শিক্ষিকা ক্লাসের ছাত্রীদের দিয়ে নিয়মিত নিজের শরীরে ম্যাসাজ করিয়ে নেন। এ ছাড়া শিক্ষকরা সঠিক সময়ে বিদ্যালয়ে উপস্থিত না হওয়া, হাজিরা খাতায় আগাম স্বাক্ষর করা এবং কোমলমতি শিক্ষার্থীদের দিয়ে ক্লাসরুম ও বারান্দা ঝাড়ু দেওয়ার মতো কাজ করান—যা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিয়মনীতি ও শিষ্টাচারের পরিপন্থী।
এলাকাবাসী ইমরান সরকার, মোমিন ইসলাম, শাহিন আহমেদ, আখতারুজ্জামানসহ বেশ কয়েকজন গত ২৫ ও ২৬ জুন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর এই লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তারা বিষয়টির দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জামিয়ার রহমান ও অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষিকাদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বীরেন্দ্রনাথ রায়ের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনিও ফোন রিসিভ করেননি। ফলে কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে এলাকাবাসী দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন।
মানবকণ্ঠ/ডিআর




Comments